ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ ঘিরে সহিংসতা ও লুটপাটের ঘটনায় প্রায় ২ হাজার ৪০০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, জীবনযাত্রার ব্যয় ও জনসেবার মান নিয়ে অসন্তোষ থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভের পর পরিস্থিতি শান্ত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।
শনিবার দেশটির বিভিন্ন শহরে প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন। অধিকাংশ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ থাকলেও প্যারিস, মার্সেইসহ কয়েকটি শহরে গাড়ি ও ভবনে আগুন দেয়া এবং দোকানপাটে লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
রোববার ভাষণে ম্যাক্রোঁ বলেন, বিক্ষোভকারীদের ন্যায্য দাবির সঙ্গে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের পার্থক্য করতে হবে। সহিংসতার কোনো যৌক্তিকতা নেই উল্লেখ করে তিনি জড়িতদের বিচারের মুখোমুখি করার কথা বলেন।
সহিংসতায় মধ্য ফ্রান্সের লিমোজ শহরের উনিশ শতকে নির্মিত ঐতিহাসিক পৌর ভবনটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগুনে ভবনটির ভেতরের অংশ পুড়ে যাওয়ার পাশাপাশি ঘড়ির টাওয়ার ও ছাদ ধসে পড়ে। রোববারও প্যারিস ও লিয়নের কয়েকটি এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।