বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ English
English
সর্বশেষ
অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের ৭ লাখ ৫৬ হাজার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করল মেটা২০২৯ সালের মধ্যে ৩ নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল করবে সরকার: জ্বালানি মন্ত্রীচার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারিদুপুরের মধ্যে ঢাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির আভাসএনআইডিতে জন্মতারিখ-নাম সংশোধনে নতুন নিয়ম ইসিররাষ্ট্রপতি প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিলে ইসিতে ১১ দলীয় জোটকর্নেল অলির পক্ষে ইসিতে মনোনয়নপত্র জমারাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন মির্জা ফখরুলকলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৬৫, নিখোঁজ ৫০০হরমুজে জাহাজ চলাচল তলানিতে, নিয়ন্ত্রণের দাবি ট্রাম্পেরকলম্বিয়ায় ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণাইবাদত-তাসকিনের জোড়া আঘাতে চাপে অস্ট্রেলিয়াপেসারদের আগুনে পুড়ল অস্ট্রেলিয়া, নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশজুলাই স্মৃতি জাদুঘরের নিদর্শন নষ্ট করলে ১০ বছরের কারাদণ্ড

২ সপ্তাহে কু‌ড়িগ্রামের তিস্তায় বিলীন ২৫ বসতবাড়ি

২ সপ্তাহে কু‌ড়িগ্রামের তিস্তায় বিলীন ২৫ বসতবাড়ি
২ সপ্তাহে কু‌ড়িগ্রামের তিস্তায় বিলীন ২৫ বসতবাড়ি
সর্বশেষ উপলব্ধ: জুলাই ১৬, ২০২৬ ০৩:১৬ অপরাহ্ন

গেল দুই সপ্তাহে কুড়িগ্রামের রাজারহাটের পশ্চিম চর বিদ্যানন্দ এলাকায় অন্তত ২৫টি বসতবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। বর্তমানে ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে মণ্ডলপাড়া জামে মসজিদ পূর্ব চর বিদ্যানন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। চলতি বর্ষা মৌসুমে তিস্তা নদীর পানি দফায় দফায় বাড়া-কমার মধ্যে উজানের ঢল টানা বর্ষণের প্রভাবে দিশেহারা এলাকার বাসিন্দারা।

মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে নদীর ভাঙন অনেক বাড়ির দোরগোড়ায় এসে পৌঁছেছে। এতে শতাধিক পরিবার ভাঙন আতংকে দিন কাটাচ্ছেন। ঘরবাড়ি হারিয়ে অনেকেই বাকরুদ্ধ।

স্থানীয় বাসিন্দা ছবুর আলী (৬৮) বলেন, আমার বাড়ি ১৭ বার নদীতে ভেঙেছে। ত্রাণ পেয়েছি, কিন্তু ভাঙন ঠেকাতে কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা পাইনি। এভাবে আর কতদিন?

আরেক বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম বলেন, আমরা ত্রাণ চাই না, চাই নদী ভাঙ্গনরোধের স্থায়ী সমাধান।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের পশ্চিম চর বিদ্যানন্দ দুর্গম হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটি অবহেলিত। যোগাযোগ ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ায় দুর্যোগের সময় কিছু ত্রাণ সহায়তা মিললেও নদী ভাঙন রোধে কোনো টেকসই ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

রাজারহাটের বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য রাজিয়া বেগম জানান, তিস্তা নদীর পানি বাড়া-কমার সঙ্গে সঙ্গে তার এলাকায় ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের তুলনায় সরকারি সহায়তা খুবই কম। গেল সোমবার মাত্র ৫০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে জিআরের চাল দেয়া হয়েছে।

বিদ্যানন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. তাইজুল ইসলাম বলেন, উপজেলা জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে শুকনো খাবার এবং সাত মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়েছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: রাকিবুল হাসান লেন,পশ্চিম চর বিদ্যানন্দে নদী ভাঙন প্রতিরোধে জিওব্যাগ ফেলার কাজ চলমান রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সোহেল রানা/মি.

 151
মতামত দিন

শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।