তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বহালের আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।
বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির আপিল বিভাগ এ রায় দেন।
রায়ের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যকস্থা সংবিধানে বহাল হলেও ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারে কোনো প্রভাব পড়বে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চতুর্দশ নির্বাচন থেকে কার্যকর করার কথা বলছে পক্ষগুলো। ত্রয়োদশ তথা ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় নির্বাচন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের অধীনেই হবে।

গেল ২৭ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায় রিভিউ চেয়ে আবেদনের শুনানি শেষে আপিলের অনুমতি দেয়া হয়।
এর পর গেল ২১, ২২, ২৩, ২৮, ২৯ অক্টোবর, ২, ৪, ৫ ,৬ ও ১১ নভেম্বর শুনানি হয়।
আদালতে ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজনের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া, ইন্টারভেনার হিসেবে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক, জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শিশির মনির, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোফাজ্জল হোসেনের পক্ষে আইনজীবী এস এম শাহরিয়ার এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও রুহুল কুদ্দুস এবং রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে গৃহীত হয় ১৯৯৬ সালে। এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯৯৮ সালে অ্যাডভোকেট এম সলিম উল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন। ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগ এ রিট খারিজ করেন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা করা হয়।
আশিক/মি.
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।