শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ English
English
সর্বশেষ
নিখোঁজের একদিন পর মিলল কুবি শিক্ষকের ছেলের মরদেহমানবপাচার ও চোরাচালান রোধে নতুন আইনের কার্যকর প্রয়োগের তাগিদদেশে প্রথমবার ইমোশনাল ডোনারের কিডনি প্রতিস্থাপনযশোর জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির নেতৃত্বে রিয়ন-শাহরিয়ারআশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর টেকসই নয়, বেশিরভাগে মানুষ থাকে না: ত্রাণমন্ত্রীনিজের বাসভবন থেকেই সৌরবিদ্যুতের উদ্যোগ শুরু প্রধানমন্ত্রীরহতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না, দাবি মেনে নিন: জামায়াত আমিরপাকিস্তানে মসজিদে আত্মঘাতী হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩১হুতিদের ঘাঁটিতে সৌদির টানা হামলা, ২৪ ঘণ্টায় ২৬ আঘাতভারতকে ১০০ শতাংশ শুল্কের হুমকি, নতুন আইনে সই ট্রাম্পেরজন্মদিনে স্মরণ: পর্দা ছাড়িয়ে হৃদয়ে আজও সালমান শাহতিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ উদ্বোধন, জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে গ্যাসনিরাপদ খাবার নিশ্চিতে জয়পুরহাটে মোবাইল ফুড ল্যাবের অভিযান

উত্তরাধিকার নিয়ে বিরোধ, মা ও চার ভাইবোনকে হত্যা

উত্তরাধিকার নিয়ে বিরোধ, মা ও চার ভাইবোনকে হত্যা
উত্তরাধিকার নিয়ে বিরোধ, মা ও চার ভাইবোনকে হত্যা
সর্বশেষ উপলব্ধ: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ ০৭:৩৫ অপরাহ্ন

ইরানের রাজধানী তেহরানে উত্তরাধিকার ও আর্থিক বিরোধের জেরে একই পরিবারের পাঁচ সদস্যকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন তাদের মা, দুই বোন ও দুই ভাই। এ ঘটনায় ওই দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে গালফ নিউজ।

পরিবারের সদস্যরা নিখোঁজ হওয়ার পর তদন্তে নামে পুলিশ। একপর্যায়ে উত্তর-পশ্চিম তেহরানের সাইমন বলিভার এলাকায় একটি গভীর কূপ থেকে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে কূপটির গভীরতা প্রায় ২০ থেকে ২৬ মিটার বলা হয়েছে।

তদন্তকারীদের সন্দেহের কেন্দ্রে আসে পরিবারের দুই ভাই। এর মধ্যেই তারা পরিবারের মূল্যবান গয়না চুরির অভিযোগ নিয়ে পুলিশের কাছে গেলে তাদের বক্তব্যে অসঙ্গতি পাওয়া যায় বলে ইরানি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার স্বীকারোক্তির কথা বিভিন্ন প্রতিবেদনে প্রকাশ পায়।

তদন্তকারীরা জানান, মরদেহগুলো বস্তায় ভরে কূপে ফেলে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে আর্থিক বিরোধ ও পারিবারিক সম্পত্তির উত্তরাধিকার পাওয়ার বিষয়টিকে হত্যাকাণ্ডের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ইরানের বিচার বিভাগসংক্রান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আটক একজন সন্দেহভাজন তার মা, দুই ভাই ও দুই বোনকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তবে হত্যাকাণ্ডের পুরো ঘটনা, প্রত্যেকের ভূমিকা এবং পরিবারের সম্পদের বিষয়ে তদন্ত এখনও চলছে। তেহরান প্রদেশের বিচার বিভাগের প্রধান মামলাটির বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

আশিক/মি.

মতামত দিন

শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।