আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই চীনে তৈরি কাঁধে বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (ম্যান-পোর্টেবল এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম বা ম্যানপ্যাডস)-এর প্রথম চালান পেতে যাচ্ছে ইরান। যা পাকিস্তান হয়ে ইরানে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
৬ থেকে ৭ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের এই ক্রয়চুক্তি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে স্বল্পপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা জোরদারে তেহরানের সবচেয়ে বড় পরিচিত উদ্যোগগুলোর একটি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সামরিক স্থাপনা এবং কৌশলগত অবকাঠামো রক্ষায় দুর্বলতা প্রকাশ পাওয়ার পরই নেয়া হয়েছে এই উদ্যোগ নিয়েছে দেশটি।
চুক্তির আওতায় ৩০০ থেকে ৪০০টি ম্যানপ্যাডস কেনা হবে। এর মধ্যে চীনে তৈরি কিউডব্লিউ-১২ এবং এফএন-১৬ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা রয়েছে।চুক্তিটি হংকংভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ঝংচিং বাওশাং ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্টের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। ইরানি পক্ষ ও চীনা সরবরাহকারীর মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

তবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এসব তথ্য অস্বীকার করেছে। মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। চীন সবসময় শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং সংঘাতের অবসান ঘটানোর পক্ষে ভূমিকা পালন করে এসেছে।
এদিকে ঝংচিং বাওশাং ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্টের মূল প্রতিষ্ঠান বেইজিংভিত্তিক ঝংচিং বাও শাং গ্রুপ এ বিষয়ে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রয়টার্সের পাঠানো ই-মেইলের কোনো জবাব দেয়নি।
তবে শত শত ম্যানপ্যাডস ইরানের হাতে পৌঁছালে দেশটির স্বল্পপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে এটি চীন ও ইরানের সামরিক সম্পর্ক আরও গভীর হওয়ার ইঙ্গিত বহন করে। তবে চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও সরবরাহের সময়সূচি,অস্ত্রের চূড়ান্ত সংখ্যা এবং বাস্তবায়নের অন্যান্য বিষয় পরিবর্তিত হতে পারে বলে সূত্রগুলো সতর্ক করেছে। চুক্তির বিষয়ে অবগত তিনটি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আশিক/মি.
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।