শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬ English
English
সর্বশেষ
তিন দিনের সফরে ঢাকায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত সার্জিও গোর২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৪ জনের মৃত্যুসমুদ্রবন্দর থেকে সতর্ক সংকেত প্রত্যাহার, নদীবন্দরে সতর্কতামানবপাচার ও অনলাইন স্ক্যাম প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী৮৬ ডেপুটি ও ১৭৯ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগঅবৈধপথে ৫০-৬৫ লাখ টাকায় গিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে, ফেরত এলেন ২৩ বাংলাদেশিমানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা: সাবেক এমপি গোলাপকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতিসিলেটেও এনসিপির গাড়িবহরে হামলালতিফ সিদ্দিকীকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবেআগস্টের জন্য জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণজর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ৩টি 'এফ-৩৫' ধ্বংসের দাবি আইআরজিসিরইয়ামাল কি বাবা হতে চলেছেন–প্রেমিকার পোস্টে নতুন গুঞ্জন

ঢাবির ৬ শিক্ষককে অব্যাহতি ও সাদেকা হালিমের স্থায়ী বরখাস্তের সুপারিশ

ঢাবির ৬ শিক্ষককে অব্যাহতি ও সাদেকা হালিমের স্থায়ী বরখাস্তের সুপারিশ
ঢাবির ৬ শিক্ষককে অব্যাহতি ও সাদেকা হালিমের স্থায়ী বরখাস্তের সুপারিশ
সর্বশেষ উপলব্ধ: জুলাই ৩০, ২০২৬ ০৭:৪৮ অপরাহ্ন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিমের বিরুদ্ধে স্থায়ী বরখাস্তের সুপারিশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তদন্তাধীন আরও ছয় শিক্ষককে সব ধরনের একাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে সাময়িক অব্যাহতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ২৮ জুলাই অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

সিন্ডিকেট সূত্রে জানা গেছে, ড. সাদেকা হালিমের বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে স্থায়ী বরখাস্তের সুপারিশ করা হয়েছে। বিষয়টি পরবর্তী সিদ্ধান্তের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হবে। তার বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগে তদন্ত পরিচালিত হয়েছে।

সাময়িক অব্যাহতি পাওয়া শিক্ষকেরা হলেন ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি অ্যান্ড ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক মো. আবদুল মুহিত, ফার্মাসিউটিক্যাল টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক আবু সারা শামসুর রউফ, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বাহাউদ্দিন, পিস অ্যান্ড কনফ্লিক্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. রফিক শাহরিয়ার এবং নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক আফরোজা শেলী ও অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তদন্ত কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা ক্লাস গ্রহণ, প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না।

সিন্ডিকেট সভায় আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একটি রাজনৈতিক প্যানেলের কার্যক্রম নিয়ে তদন্তে কমিটি গঠনের বিষয়ও রয়েছে।

অন্যদিকে, ড. সাদেকা হালিম জানিয়েছেন, ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করবেন না। অব্যাহতি পাওয়া শিক্ষকরাও প্রকাশ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 20
মতামত দিন

শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।