শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬ English
English
সর্বশেষ
তিন দিনের সফরে ঢাকায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত সার্জিও গোর২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৪ জনের মৃত্যুসমুদ্রবন্দর থেকে সতর্ক সংকেত প্রত্যাহার, নদীবন্দরে সতর্কতামানবপাচার ও অনলাইন স্ক্যাম প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী৮৬ ডেপুটি ও ১৭৯ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগঅবৈধপথে ৫০-৬৫ লাখ টাকায় গিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে, ফেরত এলেন ২৩ বাংলাদেশিমানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা: সাবেক এমপি গোলাপকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতিসিলেটেও এনসিপির গাড়িবহরে হামলালতিফ সিদ্দিকীকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবেআগস্টের জন্য জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণজর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ৩টি 'এফ-৩৫' ধ্বংসের দাবি আইআরজিসিরইয়ামাল কি বাবা হতে চলেছেন–প্রেমিকার পোস্টে নতুন গুঞ্জন

অবৈধপথে ৫০-৬৫ লাখ টাকায় গিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে, ফেরত এলেন ২৩ বাংলাদেশি

অবৈধপথে ৫০-৬৫ লাখ টাকায় গিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে, ফেরত এলেন ২৩ বাংলাদেশি
অবৈধপথে ৫০-৬৫ লাখ টাকায় গিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে, ফেরত এলেন ২৩ বাংলাদেশি
সর্বশেষ উপলব্ধ: জুলাই ৩০, ২০২৬ ০৬:৫৫ অপরাহ্ন

অনিয়মিত অভিবাসনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে আরও ২৩ বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় একটি বিশেষ ফ্লাইটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।

ফেরত আসাদের সহায়তায় বিমানবন্দরে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক, এভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) এবং ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম তাৎক্ষণিক সেবা, পরামর্শ ও নিজ নিজ এলাকায় পৌঁছানোর জন্য পরিবহন সহায়তা প্রদান করে।

ব্র্যাকের তথ্যমতে, দেশে ফেরা ব্যক্তিদের মধ্যে ১৩ জন নোয়াখালীর বাসিন্দা। এছাড়া সিলেট, কক্সবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মুন্সীগঞ্জ, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর ও ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার নাগরিক রয়েছেন।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, তাদের অধিকাংশ দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকার দীর্ঘ ও ঝুঁকিপূর্ণ রুট ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিলেন। এ জন্য জনপ্রতি প্রায় ৫০ থেকে ৬৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে। অনেকেই ব্রাজিল থেকে বলিভিয়া, পেরু, ইকুয়েডর, কলম্বিয়া, পানামা, কোস্টারিকা, নিকারাগুয়া, হন্ডুরাস ও গুয়াতেমালা হয়ে মেক্সিকো সীমান্ত অতিক্রম করে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। এ যাত্রায় ১৩ থেকে ১৫টি দেশ বাস ও পায়ে হেঁটে অতিক্রম করতে হয়েছে।

ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান বলেন, উন্নত জীবনের আশায় বিপুল অর্থ ব্যয় করেও অনেকে শেষ পর্যন্ত আইনি জটিলতায় পড়ে দেশে ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন। তাই অনিয়মিত পথে বিদেশ যাওয়ার ঝুঁকি সম্পর্কে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

ফেরত আসাদের ভাষ্য অনুযায়ী, কেউ বিএমইটির ছাড়পত্র নিয়ে ব্রাজিলে গিয়েছিলেন, আবার কেউ ট্যুরিস্ট ভিসায় সেখানে প্রবেশ করে দালালচক্রের সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার চেষ্টা করেন। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে অনেকে কাজও করেছেন। তবে বৈধ কাগজপত্র ও অভিবাসন শর্ত পূরণ করতে না পারায় তারা মার্কিন কর্তৃপক্ষের নজরে পড়েন এবং পরে প্রত্যাবাসিত হন।

ব্র্যাকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র থেকে মোট ৩৬৯ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। সংস্থাটি সম্ভাব্য অভিবাসীদের বৈধ ও নিরাপদ পথে বিদেশ যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে এবং দালালচক্রের প্রলোভন থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

 25
মতামত দিন

শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।

জনমত জরিপ

দ্যা মিরর নিউজ এর জনমত জরিপ পাঠকের জন্য এই মুহূর্তে নেই !