দক্ষিণ থাইল্যান্ডে দুই দশক ধরে চলা বিদ্রোহে সাত হাজারের বেশি মানুষ নিহত হলেও লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে মালয়-মুসলিম বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন বারিসান রেভোলিউশন ন্যাশনাল (বিআরএন)। সংগঠনটির শান্তি আলোচনা দলের মুখপাত্র নিকমাতুল্লাহ সেরি এএফপিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের সংগ্রাম চলবে।
দক্ষিণ থাইল্যান্ডের মুসলিম-অধ্যুষিত অঞ্চলে স্বাধীন ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি করছে বিআরএন। ২০০৪ সালে বর্তমান সংঘাতের পর্ব শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত বিদ্রোহী, নিরাপত্তা বাহিনী ও বেসামরিক মানুষসহ সাত হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে ডিপ সাউথ ওয়াচের হিসাবে জানা গেছে।
নিকমাতুল্লাহ জানান, বিআরএন থাইল্যান্ডের সঙ্গে ক্ষমতা ভাগাভাগির একটি ব্যবস্থা প্রস্তাব করেছে। তাদের প্রস্তাব অনুযায়ী, মালয়েশিয়া সীমান্তঘেঁষা চার প্রদেশের একটি অঞ্চলে অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে বিআরএন শাসন করবে এবং সেখানে মুসলিমদের জন্য শরিয়া আইনভিত্তিক পুলিশ ও আদালত থাকবে। পরে জনগণের কাছে ক্ষমতা ফিরিয়ে দিয়ে নির্বাচনের সুযোগ দেয়ার কথা বলা হয়েছে।
২০১৩ সাল থেকে মালয়েশিয়ার মধ্যস্থতায় থাইল্যান্ড ও বিআরএনের মধ্যে শান্তি আলোচনা চলছে। তবে জুলাইয়ে একটি হামলায় পাঁচ সেনা নিহত হওয়ার পর ব্যাংকক আলোচনা স্থগিত করে। মালয়েশিয়া জানিয়েছে, নতুন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানই তাদের অগ্রাধিকার।
থাইল্যান্ডের প্রধান আলোচক অবশ্য জানিয়েছেন, আলোচনায় বিচ্ছিন্নতার বিষয়টি নেই; বরং যুদ্ধবিরতি অঞ্চল, চেকপোস্ট কমানো ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা শিথিল করার বিষয়গুলো বিবেচনায় রয়েছে।
যুবায়ের/মি.
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।