রবিবার, ০২ আগস্ট, ২০২৬ English
English
সর্বশেষ
৩ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকায় হতে পারে বৃষ্টিএবার মিরপুর মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে বোমাসদৃশ বস্তু ঘিরে রেখেছে পুলিশফ্যাসিবাদের ভয়াবহতার সাক্ষী ‘আয়নাঘরের’ দেয়াল : চিফ প্রসিকিউটরভারতীয় যাত্রীর অন্তর্বাসে ৪৫৫ গ্রাম স্বর্ণসদৃশ বস্তু উদ্ধারবৈঠক ফলপ্রসূ, শিগগির বাংলাদেশ সফরে আসছেন মার্কিন বিনিয়োগকারীরা শ্রমবাজারের পরিবর্তনে দক্ষতা ও নতুন গন্তব্য খোঁজার আহ্বান DIU’র যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোরের প্রধানমন্ত্রীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎআগামী সপ্তাহে বাংলাদেশে আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫ শীর্ষ ব্যবসায়ীদেশের সব বন্দর ২৪ ঘণ্টা চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর৬৭ মৃত্যুর পরও অব্যাহত অভিবাসী ঢল, মরক্কো ফিরেছেন প্রায় ৬৯ হাজার মানুষবাংলাদেশসহ ৫০ দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা বন্ড ব্যবস্থা স্থায়ী করছে যুক্তরাষ্ট্রএল নিনোর ভয়াবহ প্রভাব নিয়ে জাতিসংঘের নতুন সতর্কবার্তামেট্রোরেল স্টেশনে বোমা আতঙ্ক। শেষে মিলল জর্দার কৌটা ও পানমালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালুর সম্ভাবনা। প্রস্তুতি নিতে কর্মীদের পরামর্শ

শ্রীলঙ্কার সাবেক পুলিশ প্রধান ও সাবেক প্রতিরক্ষা সচিবের মৃত্যুদণ্ড

শ্রীলঙ্কার সাবেক পুলিশ প্রধান ও সাবেক প্রতিরক্ষা সচিবের মৃত্যুদণ্ড
শ্রীলঙ্কার সাবেক পুলিশ প্রধান ও সাবেক প্রতিরক্ষা সচিবের মৃত্যুদণ্ড
সর্বশেষ উপলব্ধ: আগস্ট ০১, ২০২৬ ০৪:১০ অপরাহ্ন

২০১৯ সালের ভয়াবহ ইস্টার সানডে হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ার দায়ে শ্রীলঙ্কার সাবেক পুলিশ প্রধান পুজিথ জয়সুন্দর এবং সাবেক প্রতিরক্ষা সচিব হেমাশ্রী ফার্নান্দোকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির আদালত। অপরাধমূলক অবহেলার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এ রায় দেয়া হয়েছে।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) তিন সদস্যের একটি হাইকোর্ট বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে এ রায় ঘোষণা করেন। তবে আইন অনুযায়ী তারা উচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগ পাবেন।

২০১৯ সালের ২১ এপ্রিল ইস্টার সানডেতে শ্রীলঙ্কার তিনটি গির্জা ও তিনটি বিলাসবহুল হোটেলে সমন্বিত আত্মঘাতী হামলা চালানো হয়। ওই হামলায় ৪৫ বিদেশিসহ ২৭৯ জন নিহত হন এবং আহত হন শত শত মানুষ।

পরবর্তী তদন্তে উঠে আসে। হামলার বিষয়ে একাধিক গোয়েন্দা সতর্কবার্তা আগেই পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থাগুলো সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়। এ কারণেই সাবেক দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ আনা হয়।

আদালতের তিন বিচারকের মধ্যে দুজন মৃত্যুদণ্ড দেয়ার পক্ষে মত দেন। অপর একজন বিচারক তাদের খালাস দেয়ার পক্ষে অবস্থান নেন। পরে সংখ্যাগরিষ্ঠ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দণ্ডাদেশ ঘোষণা করা হয়।

তবে শ্রীলঙ্কায় ১৯৭৬ সাল থেকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত রয়েছে। ফলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের সাধারণত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়। বর্তমান প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিশানায়েকেও এ নীতি বহাল রাখার পক্ষে রয়েছেন।

এদিকে শ্রীলঙ্কার ক্যাথলিক চার্চের দাবি। এখন পর্যন্ত যাদের দায়ী করা হয়েছে তারা হামলার প্রকৃত পরিকল্পনাকারী নন। হামলার পেছনে আরও বড় কোনো ষড়যন্ত্র ছিল বলে মনে করে চার্চ।

 24
মতামত দিন

শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।