২০১৯ সালের ভয়াবহ ইস্টার সানডে হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ার দায়ে শ্রীলঙ্কার সাবেক পুলিশ প্রধান পুজিথ জয়সুন্দর এবং সাবেক প্রতিরক্ষা সচিব হেমাশ্রী ফার্নান্দোকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির আদালত। অপরাধমূলক অবহেলার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এ রায় দেয়া হয়েছে।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) তিন সদস্যের একটি হাইকোর্ট বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে এ রায় ঘোষণা করেন। তবে আইন অনুযায়ী তারা উচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগ পাবেন।
২০১৯ সালের ২১ এপ্রিল ইস্টার সানডেতে শ্রীলঙ্কার তিনটি গির্জা ও তিনটি বিলাসবহুল হোটেলে সমন্বিত আত্মঘাতী হামলা চালানো হয়। ওই হামলায় ৪৫ বিদেশিসহ ২৭৯ জন নিহত হন এবং আহত হন শত শত মানুষ।
পরবর্তী তদন্তে উঠে আসে। হামলার বিষয়ে একাধিক গোয়েন্দা সতর্কবার্তা আগেই পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থাগুলো সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়। এ কারণেই সাবেক দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ আনা হয়।
আদালতের তিন বিচারকের মধ্যে দুজন মৃত্যুদণ্ড দেয়ার পক্ষে মত দেন। অপর একজন বিচারক তাদের খালাস দেয়ার পক্ষে অবস্থান নেন। পরে সংখ্যাগরিষ্ঠ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দণ্ডাদেশ ঘোষণা করা হয়।
তবে শ্রীলঙ্কায় ১৯৭৬ সাল থেকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত রয়েছে। ফলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের সাধারণত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়। বর্তমান প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিশানায়েকেও এ নীতি বহাল রাখার পক্ষে রয়েছেন।
এদিকে শ্রীলঙ্কার ক্যাথলিক চার্চের দাবি। এখন পর্যন্ত যাদের দায়ী করা হয়েছে তারা হামলার প্রকৃত পরিকল্পনাকারী নন। হামলার পেছনে আরও বড় কোনো ষড়যন্ত্র ছিল বলে মনে করে চার্চ।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।