দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করতে সরকারের নেয়া মেগা প্রকল্পের আধুনিক ডিজাইন ও সম্ভাব্যতা যাচাই (ফিজিবিলিটি স্টাডি) চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।
শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনও বক্তব্য দেন।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় ৭৫ শতাংশ মানুষ গ্রামে বসবাস করেন এবং তাদের প্রাথমিক চিকিৎসার ভরসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। তাই জেলা পর্যায়ে যেসব চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়, তার অধিকাংশই পর্যায়ক্রমে ১০১ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।
তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।
ড. এম এ মুহিত বলেন, শিশুদের বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে দেশের পাঁচটি শহরে পাঁচটি নতুন শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নারীদের স্বাস্থ্যসেবার জন্য পৃথক ইনস্টিটিউট গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। এছাড়া নগর স্বাস্থ্যসেবাকে সিটি কর্পোরেশনের পরিবর্তে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মূল কাঠামোর অধীনে এনে পুনর্গঠনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
স্বাস্থ্য খাতে অতীতের অনিয়মের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পনা ছাড়াই শত শত কোটি টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনা হয়েছে, যার অনেকগুলোই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে এ ধরনের অপচয় বন্ধ করা হবে।
তিনি আরও জানান, চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ জন করে আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।