রবি ও বোরো মৌসুমে দেশে সারের চাহিদার তুলনায় ১৫ লাখ ৮৪ হাজার মেট্রিক টন বেশি সরবরাহের প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী সময়মতো সার পৌঁছাতে জেলাভিত্তিক শতভাগ বরাদ্দের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
সরকারি হিসাবে, দেশে সারের মোট চাহিদা ৩৫ লাখ ৮৭ হাজার মেট্রিক টন। এর বিপরীতে সরবরাহের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৫১ লাখ ৭১ হাজার টন। আগামী অক্টোবরের জন্য ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি সারের চাহিদার বিপরীতেও সমপরিমাণ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ইউরিয়া ৪ লাখ ১৮ হাজার টন, টিএসপি ৩ লাখ ৪৩ হাজার টন, ডিএপি ৩ লাখ ২ হাজার টন এবং এমওপি ১ লাখ ৭৮ হাজার ৯০০ টন মজুত ছিল।
সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমদানিও অব্যাহত রয়েছে। গত ৯ সেপ্টেম্বর বেলারুশ থেকে ৩০ হাজার টন এমওপি, মরক্কো থেকে ৪০ হাজার টন ডিএপি এবং সৌদি আরব থেকে ৪০ হাজার টন ইউরিয়া আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম বলেন, চাহিদাভিত্তিক পরিকল্পনা ও আগাম প্রস্তুতির মাধ্যমে সার সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
যুবায়ের/মি.
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।