সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়াকে নিয়ে নতুন একটি ঘটনা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পরকীয়ার অভিযোগে তাকে স্থানীয়দের হাতে আটকের দাবি ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জানা গেছে, সোমবার (৩ আগস্ট) রাতে নেত্রকোণা সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া ইউনিয়নে স্থানীয় কয়েকজন রিপন মিয়াকে আটক করেন। পরে তাকে স্থানীয় একটি সালিশ বৈঠকে নেয়া হয়। উপজেলার ৮ নম্বর দক্ষিণ বিশিউড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ওই সালিশের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হচ্ছে, বিবাহিত রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে পাশের গ্রামের এক তরুণীর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ ওঠে। এ অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সালিশে তার বিরুদ্ধে ৫ লাখ টাকা জরিমানার প্রস্তাব এবং গ্রাম ছাড়ার দাবি তোলা হয়।
তবে এসব দাবির সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। পাশাপাশি ঘটনাটি নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকেও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়া হয়নি।
উল্লেখ্য, রিপন মিয়া বিবাহিত। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
২০১৬ সালে ফেসবুকে কনটেন্ট নির্মাতা হিসেবে যাত্রা শুরু করেন রিপন মিয়া। সহজ-সরল উপস্থাপনা ও ঘরোয়া ভিডিওর মাধ্যমে অল্প সময়েই তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। বিশেষ করে ‘হা হা হা, এটাই বাস্তব’, ‘হাই, আই অ্যাম রিপন ভিডিও’ এবং ‘বন্ধু তুমি একা হলে আমায় দিয়ো ডাক’—এসব সংলাপ তাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিত মুখে পরিণত করে।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।