শনিবার, ০৮ আগস্ট, ২০২৬ English
English
সর্বশেষ

ইরাকি তেলে ৩০ ডলার ছাড়, কিনতে মরিয়া চীন-ভারত

ইরাকি তেলে ৩০ ডলার ছাড়, কিনতে মরিয়া চীন-ভারত
ইরাকি তেলে ৩০ ডলার ছাড়, কিনতে মরিয়া চীন-ভারত
সর্বশেষ উপলব্ধ: আগস্ট ০৭, ২০২৬ ০২:৫০ অপরাহ্ন

মূল্যছাড়ের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ইরাকের অপরিশোধিত তেল কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছে চীন ও ভারতের কয়েকটি তেল শোধনাগার। তবে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে এখনো কোনো জাহাজ ভাড়া চূড়ান্ত করতে পারেনি তারা।

ইরাকের বসরা অয়েল টার্মিনাল থেকে অপরিশোধিত তেল পরিবহনের জন্য হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিতে সক্ষম জাহাজ খুঁজছে চীন ও ভারতের কয়েকটি তেল শোধনাগার। বড় অঙ্কের মূল্যছাড়ের কারণে এ তেলের প্রতি তাদের আগ্রহ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে শিপিং খাতসংশ্লিষ্ট সূত্র।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া তথ্যে কয়েকটি সূত্র জানায়, আগস্ট মাসে সরবরাহের জন্য ইরাকের রাষ্ট্রীয় তেল বিপণন প্রতিষ্ঠান সোমো (SOMO) বসরা হেভি ও বসরা মিডিয়াম গ্রেডের অপরিশোধিত তেলে প্রতি ব্যারেলে প্রায় ৩০ ডলার পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে।

এই মূল্যছাড়ের কারণে এশিয়ার বড় দুই তেল আমদানিকারক দেশ চীন ও ভারতের কয়েকটি শোধনাগার ইরাকি তেল কিনতে আগ্রহী হয়ে উঠেছে।

তবে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকায় জাহাজমালিকরা সেখানে ট্যাংকার পাঠাতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। ফলে এখন পর্যন্ত কোনো জাহাজ ভাড়ার চুক্তি সম্পন্ন হয়নি।

জ্বালানি বাজার বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান ক্লেপলারের তথ্য অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহে হরমুজ প্রণালি দিয়ে মাত্র ছয়টি অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাংকার বের হয়েছে। বিপরীতে একই সময়ে ২১টি জাহাজ ওই পথে প্রবেশ করেছে, যার বেশিরভাগই ইরানের জলসীমা ব্যবহার করেছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধ শুরুর পর ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। এর আগে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ১৩০ থেকে ১৪০টি জাহাজ চলাচল করত। 

বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখনো আন্তর্জাতিক তেল বাজারের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে আছে।

 36
মতামত দিন

শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।