জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সরকারের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। শনিবার (৩ অক্টোবর) দিনাজপুর সরকারি কলেজে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রংপুর বিভাগীয় আন্তঃকলেজ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। শিক্ষাকে জীবনঘনিষ্ঠ ও দক্ষতাভিত্তিক করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগগুলো প্রশংসনীয়।
রংপুর বিভাগের বিভিন্ন কলেজের জেলা পর্যায়ে প্রথম ও স্বর্ণপদকজয়ী ১ হাজার ১৫৪ জন শিক্ষার্থী-অ্যাথলেট এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন। ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল, কাবাডি, সাঁতার ও অ্যাথলেটিকসসহ ৭২টি ইভেন্টে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তারা।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হবে মানুষ তৈরির ক্যাম্পাস, দলবাজির নয়। তরুণদের ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় খেলাধুলা, প্রযুক্তি, ভাষা শিক্ষা ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে নেয়ার পরিবেশ তৈরির ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, সময়ের সঙ্গে শিক্ষাব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা জরুরি। এ লক্ষ্যে কোর্স ও কারিকুলাম হালনাগাদের কাজ চলছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সংশোধিত আইসিটি সিলেবাস অনলাইনে প্রকাশ করা হবে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে দিনাজপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন উপাচার্য।
অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের ধরে রাখতে ক্রীড়া ভাতা চালু করা হয়েছে। প্রতিটি জেলায় ‘স্পোর্টস ভিলেজ’ ও উপজেলায় স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতা আগামী ৬ অক্টোবর ফাইনালের মধ্য দিয়ে শেষ হবে। বিভাগীয় পর্যায়ে স্বর্ণপদকজয়ীরা পরবর্তী সময়ে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়ার সুযোগ পাবেন।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।