মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ভারতের আদালত নেবে বলে জানিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম। বাংলাদেশ সরকারের প্রত্যর্পণ অনুরোধের পর ভারতের শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য প্রকাশ করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি ভারতের বিচার বিভাগের সামনে উপস্থাপন করতে হবে। এরপর আদালতই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। এটি রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত হিসেবে নেয়া হবে না।
ভারতের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগে বিচার ও সাজা হয়েছে সেগুলো ভারতীয় আইনেও অপরাধ হিসেবে গণ্য কি না, সেটিও যাচাই করা হবে।
ভারতীয় কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, ২০১৩ সালের ভারত-বাংলাদেশ প্রত্যর্পণ চুক্তিতে বিচারিকভাবে সাজাপ্রাপ্ত বা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ফেরত দেয়ার বিধান রয়েছে। তবে রাজনৈতিক অপরাধের ক্ষেত্রে কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে। একই সঙ্গে হত্যা, হামলা, আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার ও হত্যায় প্ররোচনার মতো গুরুতর অপরাধকে রাজনৈতিক অপরাধ হিসেবে বিবেচনা না করার বিধানও রয়েছে।
২০২৪ সালের আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। ২০২৫ সালের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেন। এই রায়ের ভিত্তিতেই তার প্রত্যর্পণ চেয়ে আসছে বাংলাদেশ।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।