সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও বিক্রির অভিযোগে ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া সাঈদকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ। একই ঘটনায় তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ডিবি সূত্র জানায়, ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রামে আপত্তিকর কনটেন্ট এবং সেগুলো বিক্রির বিজ্ঞাপন নজরে আসার পর প্রযুক্তির সহায়তায় সুমাইয়ার অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় দুটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশের দাবি, নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে এসব কনটেন্ট বিক্রি করা হতো। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কয়েকজন সহযোগী মিলে চক্রটি পরিচালনার তথ্য পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় সুমাইয়ার বাবাকেও মামলায় আসামি করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মেয়ের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানার পরও এতে সম্মতি ও উপার্জনের অর্থ গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে।
রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদে তিন দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।