ভারতের দিল্লিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ ঘিরে ধরপাকড়ের মধ্যে সাংবাদিকদেরও আটক করছে পুলিশ। পরিচয়পত্র দেখানোর পরও স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের একাধিক সাংবাদিককে বাসে তুলে নেয়ার খবর জানিয়েছে দ্য ওয়্যার।
শনিবার (১০ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, বিক্ষোভ কর্মসূচি ঠেকাতে কয়েক হাজার মানুষকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। তাঁদের মধ্যে সংবাদ সংগ্রহে যাওয়া সাংবাদিকেরাও রয়েছেন।
সাংবাদিকদের আটকের ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংগঠন কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)। আটক সাংবাদিকদের অবিলম্বে মুক্তি দেয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। একই আহ্বান জানিয়েছে ডিজিটাল সংবাদমাধ্যমগুলোর সংগঠন ডিজিপাব।
দ্য ওয়্যারের সাংবাদিক জাহ্নবী সেন, শ্রাবস্তী দাশগুপ্ত ও অন্তরা বরুয়া জানান, পুলিশ লোকজনকে বাসে তোলার সময় সাংবাদিকদের পরিচয়পত্রের প্রতি গুরুত্ব দেয়নি। দ্য কুইন্টের প্রকাশিত ভিডিওতেও পরিচয়পত্র দেখানোর পর সাংবাদিকদের আটক অবস্থায় বাসে দেখা যায়। সংবাদমাধ্যমটির সাংবাদিক সার্থক জয়সওয়ালকেও আটক করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
বিক্ষোভের আগে দিল্লি পুলিশ মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী সাংবাদিকদের পরিচয়পত্র দৃশ্যমানভাবে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল। এরপরও সাংবাদিকদের আটকের ঘটনায় সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও নির্বিঘ্নে সংবাদ সংগ্রহের সুযোগ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।