রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬ English
English
সর্বশেষ
রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ৫১১ জন গ্রেপ্তারমোদির আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরের প্রস্তুতিরাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী, মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদের মনোনয়ন বৈধঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে টাইগারদের ভিডিও কলে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীরকুষ্টিয়ায় সংসদ সদস্য আমির হামজার ওপর হামলার ঘটনায় অভিযোগ দায়েরসংবিধান সংশোধন রাজপথে নয়, সংসদেই করতে হবে: গয়েশ্বরজিম্বাবুয়ে নৌকা ডুবিতে প্রাণ গেল ৭২ জনেরকানাডায় ভিসার মেয়াদ শেষ হলে ফিরতে হবে শিক্ষার্থীদের: আলবার্টার প্রিমিয়ারসৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান জোটে বদলে যাচ্ছে আঞ্চলিক শক্তির সমীকরণউত্তর কোরিয়ার সেনাদের সীমান্ত লঙ্ঘন, গুলি ছুড়ল দক্ষিণ কোরিয়াভানুয়াতুতে ৬.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, কাঁপল দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি, বাসভবন ঘেরাওয়ের হুমকিমিরাজের ৫ উইকেট, ইতিহাস গড়তে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৫৭ রানরেকর্ড গড়ে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়অভিনেত্রী রিধিকার মৃত্যুর ঘটনায় প্রেমিক গ্রেপ্তার

সাইবার নিরাপত্তা বাড়াতে যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকবেন

সাইবার নিরাপত্তা বাড়াতে যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকবেন
সাইবার নিরাপত্তা বাড়াতে যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকবেন
সর্বশেষ উপলব্ধ: আগস্ট ১৬, ২০২৬ ০১:৪৫ অপরাহ্ন

প্রযুক্তিনির্ভর জীবনে ইন্টারনেট এখন দৈনন্দিন কাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ব্যাংকিং থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ই-মেইল ও ব্যক্তিগত তথ্যসবকিছুই অনলাইনের সঙ্গে যুক্ত। ফলে সাইবার হামলা, তথ্য চুরি, ফিশিং ও অনলাইন প্রতারণার ঝুঁকিও বাড়ছে। সামান্য অসতর্কতায় ব্যক্তিগত তথ্য কিংবা অর্থ হারানোর মতো বড় ক্ষতি হতে পারে।

সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রথমেই প্রতিটি অনলাইন অ্যাকাউন্টে শক্তিশালী ও আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা জরুরি। জন্মতারিখ, মোবাইল নম্বর বা সহজে অনুমান করা যায় এমন তথ্য পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়। একই পাসওয়ার্ড একাধিক অ্যাকাউন্টে ব্যবহার না করাই নিরাপদ।

গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টে টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা দুই স্তরের নিরাপত্তা চালু রাখা উচিত। এতে পাসওয়ার্ড জেনে গেলেও অতিরিক্ত যাচাই ছাড়া অন্য কেউ সহজে অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারে না।

অপরিচিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পাঠানো লিংক, ই-মেইল ও ফাইল খোলার ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকতে হবে। অনেক সময় পরিচিত প্রতিষ্ঠান বা ব্যাংকের নাম ব্যবহার করে ভুয়া ওয়েবসাইটে নিয়ে গিয়ে পাসওয়ার্ড, ওটিপি বা ব্যাংকিং তথ্য হাতিয়ে নেয় প্রতারকরা। তাই কোনো লিংকে ক্লিক করার আগে প্রেরক ও ওয়েবসাইটের ঠিকানা যাচাই করা জরুরি।

মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, ব্রাউজার ও অ্যাপ নিয়মিত আপডেট রাখাও সাইবার নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পুরোনো সফটওয়্যারের নিরাপত্তা দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে ডিভাইসে প্রবেশের চেষ্টা করতে পারে সাইবার অপরাধীরা।

পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহারের সময়ও বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। বিশেষ করে অপরিচিত নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়ে অনলাইন ব্যাংকিং বা গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টে প্রবেশ না করাই নিরাপদ। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ছবি, নথি ও অন্যান্য তথ্য নিয়মিত ব্যাকআপ করে রাখা উচিত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রযুক্তিগত নিরাপত্তার পাশাপাশি সচেতনতাই সাইবার ঝুঁকি মোকাবিলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপায়। কোনো বার্তা, ফোনকল বা লিংক সন্দেহজনক মনে হলে তাড়াহুড়ো করে তথ্য দেয়া বা কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত নয়। তথ্য যাচাই করে এবং প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল মাধ্যমে যোগাযোগ করেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া উচিত।

অনলাইনে সামান্য সচেতনতা একজন ব্যবহারকারীকে বড় ধরনের তথ্য চুরি, অ্যাকাউন্ট দখল ও আর্থিক প্রতারণা থেকে সুরক্ষিত রাখতে পারে।

 5
মতামত দিন

শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।