বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ English
English
সর্বশেষ
চারজনের মৃত্যু শ্বাসরোধে, মেলেনি ধর্ষণের আলামত দেশজুড়ে বৃষ্টির আভাস, কমতে পারে তাপমাত্রাদুর্নীতির ১৫ মামলায় খালাস পেলেন মির্জা আব্বাসইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের পর ছাত্রদল নেতা আজীবন বহিষ্কারসংসদ অধিবেশনের আগে বিরোধী দলের সভানেপালে এখনও নিখোঁজ ছয় শতাধিক পর্যটকনেপাল-চীন সীমান্তে আকস্মিক বন্যা: কীভাবে ঘটল এই ভয়াবহ দুর্যোগহিমবাহ ধসেই নেপালে ভয়াবহ বন্যা, ১৬০ মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ৮৪৪ জনচোখের সামনে স্ত্রী-সন্তানকে ভাসিয়ে নিল বন্যানেপাল-চীন সীমান্তে বন্যা ও ভূমিধসে নিখোঁজ প্রায় ১,৫০০নেপালে বন্যায় উদ্ধারকাজে ২ হাজার সেনা মোতায়েননেপালে কেমন আছেন অপু বিশ্বাস, জানালেন নিজেইসালমান শাহ হত্যা মামলায় ৫ দিনের রিমান্ডে ডনসালাহউদ্দিনের গুম মামলায় ট্রাইব্যুনালে জিয়াউল আহসান

নেপাল-চীন সীমান্তে আকস্মিক বন্যা: কীভাবে ঘটল এই ভয়াবহ দুর্যোগ

নেপাল-চীন সীমান্তে আকস্মিক বন্যা: কীভাবে ঘটল এই ভয়াবহ দুর্যোগ
নেপাল-চীন সীমান্তে আকস্মিক বন্যা: কীভাবে ঘটল এই ভয়াবহ দুর্যোগ
সর্বশেষ উপলব্ধ: আগস্ট ২৭, ২০২৬ ০১:৫৭ অপরাহ্ন

নেপাল-চীন সীমান্তে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পেছনে মূল কারণ ছিল হিমবাহের বরফ পাথরের বিশাল ধস। ২৬ আগস্ট হিমালয়ের লহেন্দে নদীর উপত্যকায় বরফ পাথরের বড় একটি অংশ ধসে পড়ে। সেই ধসের সঙ্গে বিপুল পরিমাণ পানি, কাদা, বরফ পাথর মিশে শক্তিশালী ডেব্রিস ফ্লো তৈরি হয়। সেটিই দ্রুতগতিতে নদীর নিচের দিকে নেমে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা সৃষ্টি করে।

এই প্রবল স্রোত প্রথমে নেপালের রাসুয়া জেলার ভোটেকোশি নদী আশপাশের এলাকাকে আঘাত করে। পরে পানি ধ্বংসাবশেষ ভাটির দিকে ছড়িয়ে পড়ে নুয়াকোট, ধাদিংসহ আরও কয়েকটি এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। একই দুর্যোগে চীনের তিব্বতের গিয়রং এলাকাতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ঘটনার আগে যে শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়েছিল, সেটিকে প্রথমে ভূমিকম্প বলে ধারণা করা হয়েছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস পরে জানায়, সেটি প্রকৃত ভূমিকম্প ছিল না। বরফ পাথরের ধস এবং তার ফলে সৃষ্ট ডেব্রিস ফ্লো থেকেই ওই ভূকম্পনসদৃশ শক্তি তৈরি হয়েছিল।

অর্থাৎ ঘটনাটিকে শুধু সাধারণ বন্যা বলা যাবে না। হিমবাহের ধসবরফ-পাথরের বিশাল স্রোতনদীতে আকস্মিক পানি ধ্বংসাবশেষের প্রবাহভয়াবহ ফ্ল্যাশ ফ্লাডএই ধারাবাহিক ঘটনাই মূলত এত বড় বিপর্যয় তৈরি করেছে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই নির্দিষ্ট ঘটনায়প্রথমে নদী আটকে গিয়ে পরে বাঁধ ভেঙে বন্যা’—এমন কথা নিশ্চিতভাবে বলা উচিত নয়। বর্তমান তথ্য অনুযায়ী সরাসরি নিশ্চিত হওয়া কারণ হলো হিমবাহ/বরফ-পাথরের ধস ডেব্রিস ফ্লো।

যুবায়ের/মি.

মতামত দিন

শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।