দেশের ৬৪ জেলায় সার সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনা নির্বিঘ্ন রাখতে মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। প্রতিটি সেল দুজন করে যুগ্মসচিব ও উপ-সচিবের তত্ত্বাবধানে কাজ করছে।
বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে পাবনা-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নজিবুর রহমান সার সংকট নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত করলে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, দেশে সারের চাহিদা ৩৫ লাখ ৮৭ হাজার টন। বর্তমানে মজুত রয়েছে ৫১ লাখ ৭১ হাজার টন। অভিযোগ পেলেই মনিটরিং সেলগুলো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নিয়োগ পাওয়া ডিলারদের মধ্যে প্রায় ৩ হাজার ৭৫৯ জন পালিয়ে যাওয়ায় এসব স্থানে ডিলারশিপ শূন্য রয়েছে। শূন্য পদ পূরণে ইউনিয়ন পর্যায়ে আরও ৪ হাজার ৯১৮ জন নতুন ডিলার নিয়োগ দেয়া হবে। তবে আবেদনের শেষ সময় ১০ সেপ্টেম্বর হওয়ায় এখনো নতুন ডিলার নিয়োগ দেয়া হয়নি।
সার সংকটের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমন ধান পাকা পর্যায়ে থাকায় এখন সারের ব্যাপক চাহিদা নেই। তবে বোরো মৌসুমের জন্য কৃষকদের সার মজুতের প্রবণতায় নন-ইউরিয়া সারের চাহিদা বাড়তে পারে।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি ও এমওপিসহ পর্যাপ্ত সার মজুত রয়েছে। বর্তমানে সারাদেশে ১ হাজার ১০৫ জন মূল ও ৩১ হাজার ৬০০ জন খুচরা ডিলার রয়েছেন। আরও নতুন ডিলার নিয়োগ হলে সার বিতরণ ব্যবস্থা আরও নির্বিঘ্ন হবে।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।