বুধবার, ০৭ অক্টোবর, ২০২৬ English
English
সর্বশেষ
শিশু অধিকার দিবসের আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী, বরণ করে নিল ১৫০ শিশুপ্রথমবার লটারিতে সাবরেজিস্ট্রার বদলিপ্রতিটি শিশুর প্রতিভা বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রীসৌদিতে মৃত্যুদণ্ডের মুখে শ্রীলঙ্কান তরুণ, ক্ষমার জন্য পরিবারের আকুতিএলপিজি নির্ধারিত দামে বিক্রি নিশ্চিত করতে ডিসিদের নির্দেশচার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ‘আমাদের কাছে সবই আছে, নিরাপত্তা নেই’: কুবি উপাচার্যবাংলাদেশে কানাডার বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির১৯ ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য জরুরি সতর্কতা, বন্ধ থাকবে যেসব সেবামহাকাশের নিউট্রিনো রহস্য উন্মোচনে এককভাবে নোবেল পেলেন ফ্রান্সিস হালজেনদিল্লিতে মিছিল থেকে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ বিরোধী নেতারা আটক৪০ দিন পর নেপালে বন্যা-ভূমিধসে তল্লাশি অভিযান বন্ধনাইজেরিয়ায় সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, ৩২ আরোহীর সবাই নিহতপাকিস্তানের আকাশে ভারতের মিগ-২৫, ২৯ বছর পর সামনে এলো গোপন তথ্যবাবরি মসজিদের উদ্যোক্তা হুমায়ুন কবীর গ্রেপ্তারফুটবল থাকবে, থাকবে না মেসির সেই জাদুমেসির বিদায়ী ম্যাচ, আর্জেন্টিনা-বেনিন লড়াই দেখা যাবে যেভাবেজয়পুরহাট সীমান্তে বিএসএফের পুশ-ইনের চেষ্টা ব্যর্থ, তিন যুবককে ফেরত পাঠাল বিজিবিলক্ষ্মীপুরে কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনপ্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে ‘শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক’ সম্মাননা পেলেন পাবনার ইমরান হুসাইননিখোঁজের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ব্যবসায়ী সুপ্রভাত মদকের পোড়ানো লাশ মিলল হলুদের ক্ষেতেলক্ষ্মীপুরে যুব অধিকার পরিষদের সাবেক নেতার বিরুদ্ধে মামলা, কারাগারে

রেকর্ড বিক্রি, কেরুর মদ ব্যবসায় মুনাফা ২২৪ কোটি টাকা

রেকর্ড বিক্রি, কেরুর মদ ব্যবসায় মুনাফা ২২৪ কোটি টাকা
রেকর্ড বিক্রি, কেরুর মদ ব্যবসায় মুনাফা ২২৪ কোটি টাকা
সর্বশেষ উপলব্ধ: সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬ ১২:১৬ অপরাহ্ন

২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাষ্ট্রায়ত্ত মদ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কেরু অ্যান্ড কোম্পানি (বাংলাদেশ)-এর ডিস্টিলারি ইউনিট থেকে করপূর্ব মুনাফা ২০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসে এটাই সর্বোচ্চ মুনাফা।

এক কর্মকর্তার তথ্যমতে, প্রথমবারের মতো কেরুর মদ বিক্রি প্রায় ৫০০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি। একই সময়ে করপূর্ব মুনাফা ১৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২৪ কোটি টাকা।

২০২১ সালে শুল্ক ফাঁকি রোধে বিদেশি মদ আমদানিতে কড়াকড়ি আরোপের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। কর্মকর্তাদের মতে, এর ফলে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত মদের চাহিদা বাড়ে, যার সুফল পায় কেরুর ডিস্টিলারি ইউনিট।

তবে ২০২৬ সালের জুনে অর্থবছর শেষ হলেও চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের আনুষ্ঠানিক অডিট এখনো শেষ হয়নি। ফলে অন্যান্য ব্যবসায়িক খাতের চূড়ান্ত আয়-ব্যয়ের হিসাবও পাওয়া যায়নি।

কেরুর ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসান বলেন, চাহিদা বৃদ্ধির কারণে বিক্রি বাড়ায় কোম্পানির মুনাফাও ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। তবে চিনি ইউনিটে লোকসান অব্যাহত রয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ ইউনিটে প্রায় ৬০ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে।

তিনি জানান, চিনি ইউনিটের লোকসান কমাতে প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দ্বিতীয় চিনি ইউনিট সম্প্রতি চালু করা হয়েছে। পূর্ণ সক্ষমতায় চালাতে পারলে লোকসান কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে কেরুর ডিস্টিলারি ইউনিটের বিক্রি দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৯০ কোটি টাকা, যেখানে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ছিল ৪৪৪ কোটি টাকা।

মতামত দিন

শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।