ভারতের অরুণাচল প্রদেশের বিতর্কিত সীমান্ত এলাকায় চীনের অবকাঠামোগত সম্প্রসারণ ও সামরিক তৎপরতার প্রমাণ পাওয়ার দাবি করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে সেখানে নতুন ভবন, সড়ক ও হেলিপ্যাড নির্মাণের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, অরুণাচলের সীমান্তবর্তী প্রত্যন্ত গ্রামগুলোর বাসিন্দারা চীনা বাহিনীর অগ্রসর হওয়ার কারণে আতঙ্কে রয়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, চীনা সেনারা তাদের পৈতৃক চারণভূমি ও শিকারের জমি থেকে পিছু হটতে বাধ্য করছে।
আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত গোয়েন্দা তথ্য সংস্থা জেনসের বিশ্লেষণেও তিব্বতের লহুনজে কাউন্টির ঝারি শহরের কাছে একাধিক এলাকায় সাম্প্রতিক নির্মাণকাজের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এসব স্থাপনার কিছু অংশ ভারত ও চীন উভয়ের দাবি করা বিতর্কিত এলাকায় পড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কয়েকটি স্থাপনা সামরিক কাজে ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন ও বড় হেলিপ্যাড, সড়ক সম্প্রসারণ এবং সামরিক যানের মতো যানবাহনের উপস্থিতি এ ধারণাকে জোরালো করছে বলে বিশ্লেষকদের মত।
এদিকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ভারত সফরের সময়ই এসব তথ্য সামনে এলো। ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষের পর এটিই শির প্রথম দিল্লি সফর। একই সময়ে স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় একটি অনুসন্ধানী দল সীমান্তবর্তী গেলেমো ও তাকসিং এলাকা পরিদর্শন করে পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিবেদন দিয়েছে।
প্রতিবেদনে সীমান্ত এলাকায় চীনা পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) উপস্থিতি ও তৎপরতা বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
যুবায়ের/মি.
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।