শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে কাঠ ব্যবসার কথা বলে ডেকে নিয়ে আটকে রেখে নির্যাতন এবং নগদ ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ও বিভিন্ন মালামাল ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে মিজানুর রহমান মিজানসহ ৫–৬ জনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে করা মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন অভিযোগকারী জান্নাতুল নাঈম।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে ঝিনাইগাতী সদর বাজারে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের বাসিন্দা জান্নাতুল। তাঁর দাবি, গেল ২২ সেপ্টেম্বর কাঠ দেখানোর কথা বলে তাঁকে নালিতাবাড়ীর একটি বাড়িতে নিয়ে আটকে রেখে মারধর করা হয়। এ সময় তাঁর মোটরসাইকেল, আইফোন, স্মার্টওয়াচ, ব্যাংক কার্ড ও নগদ টাকা নেয়া হয়। মারধরে তাঁর কানের পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত ও পায়ে গুরুতর আঘাত লাগে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
জান্নাতুলের অভিযোগ, তাঁকে ছেড়ে দেয়ার বিনিময়ে ১০ লাখ টাকা দাবি করা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে কয়েকটি ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়া হয়। পরে তাঁকে হালুয়াঘাট বাসস্ট্যান্ডে ফেলে রেখে যাওয়া হয়। সেখান থেকে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বাড়ি ফিরে চিকিৎসা নেন তিনি।
এ ঘটনায় মিজানুর রহমান মিজানসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শেরপুরের আদালতে সিআর মামলা নং ৮০৬/২০২৬ করেছেন জান্নাতুল। তাঁর ভাষ্য, আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন।
অন্যদিকে, জান্নাতুলের বিরুদ্ধে একই আদালতে সিআর মামলা নং ৮৩৪/২০২৬ করেছেন মিজানুর রহমান মিজান। তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে ঘটনাটিকে আর্থিক লেনদেনের বিরোধ ও পরিকল্পিত মামলা বলে দাবি করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে জান্নাতুল মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত, অভিযোগে উল্লিখিত মালামাল উদ্ধারে পদক্ষেপ এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
শেরপুর প্রতিনিধি
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।