কর্মসংস্থান ও উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে নীতির ধারাবাহিকতা, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ, অর্থায়ন, জ্বালানি নিরাপত্তা ও যোগাযোগ অবকাঠামো—এই পাঁচ খাতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিজিএমইএর ‘ইএসজি প্ল্যাটফর্ম’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
তিনি বলেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব, ভঙ্গুর অর্থনীতি ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতজনিত জ্বালানি সংকট মোকাবিলা সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ। বিনিয়োগ বাড়াতে করনীতিতে পাঁচ বছরের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা এবং বন্ধ শিল্পকারখানা চালু করতে ৬০ হাজার কোটি টাকার সহায়তা প্যাকেজের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
জ্বালানি নিরাপত্তায় নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ, গ্যাস অনুসন্ধান ও এলএনজি-এলপিজির সরবরাহ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি রেল ও ঢাকা-চট্টগ্রাম যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ ২০২৯ সালের মধ্যে শেষ করার প্রত্যাশা জানান তিনি।
তিতুমীর বলেন, তরুণ ও নারীদের কর্মসংস্থানে যুক্ত করা এবং সামাজিক সুরক্ষা জোরদার করাও সরকারের অগ্রাধিকার। কৃষিঋণ মওকুফ, ফ্যামিলি কার্ড চালু এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় বাড়ানোর উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সংস্কার কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়নের ওপরই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নির্ভর করবে।
অনুষ্ঠানে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. এম মাসরুর রিয়াজ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার উপস্থিত ছিলেন।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।