ফ্রান্সে বিক্ষোভ ও সহিংসতার জন্য অভিবাসনকে দায়ী করে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, শিগগিরই প্যারিস ‘মুসলিম শহরে’ পরিণত হবে। একই সঙ্গে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁসহ ইউরোপীয় নেতাদের সীমান্তে কড়াকড়ি আরোপের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ফ্রান্সের চলমান পরিস্থিতির সঙ্গে অভিবাসনের সম্পর্ক রয়েছে; শিক্ষাব্যবস্থা বা অন্য কোনো বিষয় এর জন্য দায়ী নয়। এর আগের দিনও তিনি ম্যাক্রোঁকে সীমান্ত বন্ধ করার পরামর্শ দেয়ার কথা জানান।
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে শনিবার প্যারিসসহ ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সহিংসতায় রূপ নেয়। বিক্ষোভে দুই হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষ গ্রেপ্তার এবং প্রায় এক হাজার পুলিশ ও জেন্ডারমেরি সদস্য আহত হয়েছেন। বিভিন্ন স্থানে লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও সরকারি স্থাপনায় হামলার ঘটনাও ঘটেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সোমবার রাতে বড় শহরগুলোতে আংশিক কারফিউ জারির ঘোষণা দেয় ফরাসি সরকার। প্রয়োজনে জরুরি অবস্থাও ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়াঁ লেকর্নু।
ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, ইউরোপ সীমান্ত বন্ধ না করলে এবং বিক্ষোভে অংশ নেয়া অপরাধীদের বহিষ্কার না করলে মহাদেশটির পতন অনিবার্য।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।