ভারতে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে পুলিশের দমন-পীড়ন, অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ ও নির্বিচারে আটকের অভিযোগে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা। বিক্ষোভকারীদের অধিকার নিশ্চিত করা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) জেনেভা থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে বিশেষজ্ঞরা বলেন, ভারতের বিভিন্ন স্থানে তরুণদের নেতৃত্বে চলা বিক্ষোভে পুলিশের আচরণ শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জানানোর অধিকার সংকুচিত হওয়ার উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, গেল মার্চে নয়াদিল্লিতে ১০ শিক্ষার্থী ও শ্রমিক অধিকারকর্মীকে আটকের পর ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা এবং তাদের ওপর দুর্ব্যবহার ও জোরজবরদস্তির অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি রাজধানীতে সাত হাজারের বেশি তরুণ, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী, আইনজীবী ও রাজনৈতিক দলের সদস্যকে আটকের অভিযোগও তুলে ধরেন বিশেষজ্ঞরা।
শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে সরকারি সিদ্ধান্ত এবং ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশটির বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ হয়েছে। বিবৃতিতে দাবি করা হয়, ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় ১৩ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে মুসলিম সংখ্যালঘু, তফসিলি জাতি ও উপজাতিভুক্ত মানুষ রয়েছেন।
বিক্ষোভ দমনে লাঠিচার্জ, নির্বিচারে আটক, যৌন সহিংসতা, ইন্টারনেট বন্ধ এবং জনসমাবেশে নিষেধাজ্ঞার অভিযোগ নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘ। এসব ঘটনায় স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত, ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটির বিশেষজ্ঞরা।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।