পাবনার সদর উপজেলার দোগাছি কুলুনিয়া গ্রামে ১০ বছরের শিশু কামরুন্নাহার কলিকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত মোস্তফা প্রামাণিকের বাড়ি গুঁড়িয়ে দেয়ার পর এবার সেখানকার মাটি তুলে নিয়ে যাচ্ছেন স্থানীয় লোকজন। বাড়ির ধ্বংসস্তূপ সরানোর পাশাপাশি মাটি লুটের ঘটনায় এলাকায় নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক মাসেরও বেশি সময় ধরে ইট, লাঠি ও হাতুড়ি দিয়ে বাড়িটির দোতলা ভবন ভেঙে ফেলা হয়। এখন অটোরিকশা, ভ্যান ও বিভিন্ন যানবাহনে করে মাটি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। স্থানীয় রাস্তা মেরামতেও ওই মাটি ব্যবহার করা হচ্ছে। এ কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের প্রতিদিন ৭০০ টাকা করে মজুরি দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এক শ্রমিক।
স্থানীয় বাসিন্দা রমজান আলী দ্রুত বিচার শেষ করে অভিযুক্তের ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে, নিহত শিশুর দাদা আব্দুস সোবহান পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, নিখোঁজের পর যথাযথ সহযোগিতা পেলে হয়তো ঘটনাটি এত দূর গড়াত না। এখনও চার্জশিট ও ফরেনসিক রিপোর্ট না পাওয়ায় বিচার নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন তাঁরা।
তবে পাবনা ডিবির ওসি আব্দুস সালাম জানিয়েছেন, মামলার তদন্ত শেষ পর্যায়ে। ফরেনসিক রিপোর্ট হাসপাতালে এসেছে এবং দ্রুত আদালতে চার্জশিট পাঠানো হবে।
উল্লেখ্য, গেলো ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় নিজ এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় শিশু কামরুন্নাহার কলি। নিখোঁজের সপ্তম দিন, ১৬ সেপ্টেম্বর সকালে বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে তার বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মোস্তফা ও ইয়াছিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নজরুল ইসলাম বাঁধন, পাবনা জেলা প্রতিনিধি
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।