প্রযোজ্য আইন ও নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসারে শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের জন্য বাংলাদেশের করা অনুরোধ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পর্যালোচনা করছে বলে জানিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) কংগ্রেস নেতা শশী থারুরের সভাপতিত্বে গঠিত পররাষ্ট্রবিষয়ক পার্লামেন্টারি স্থায়ী কমিটির সুপারিশের ওপর সরকারের নেয়া পদক্ষেপসংক্রান্ত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। দেশটির লোকসভায় দেয়া এক রিপোর্টে স্থায়ী কমিটিকে এ কথা জানায় দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার।

একই সঙ্গে সরকার দাবি করেছে, ভারতে অবস্থান করলেও শেখ হাসিনাকে কোনও ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ দেয়া হয়নি।
কমিটি আরও বলেছে, শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান দেশটির সভ্যতাগত মূল্যবোধ ও মানবিক ঐতিহ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। গুরুতর সংকট বা অস্তিত্বের হুমকির মুখে থাকা ব্যক্তিদের আশ্রয় দেয়ার দীর্ঘদিনের নীতির অংশ হিসেবেই তিনি ভারতে অবস্থান করছেন।
সরকারকে মানবিক ও নীতিগত অবস্থান বজায় রাখার পাশাপাশি এ ধরনের পরিস্থিতি যথাযথ সংবেদনশীলতা ও ভারতের আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মোকাবিলার সুপারিশ করেছে কমিটি।
২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এরপর থেকেই তিনি সেখানে অবস্থান করছেন। সূত্র: রয়টার্স।
আশিক/মি.
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।