পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ সংযুক্ত আরব আমিরাতে মুক্তি পেয়েছেন—এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কাছে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির মহাপরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলী। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বেনজীরকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়ায় দুদকের কোনো গাফিলতি ছিল না।
রোববার (২ আগস্ট) বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, বেনজীরের মুক্তির বিষয়টি দুদক গণমাধ্যমের মাধ্যমে জেনেছে। তবে আইনি প্রক্রিয়ায় যা যা করণীয়, কমিশন তা করবে।
এর আগে একইদিন দুদকের নতুন সচিব হিসেবে দায়িত্ব নেন মো. সাইদুর রহমান খান। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে দুর্নীতিকে নির্বাসনে পাঠাতে হবে।
দুদক সূত্র জানায়, গত ১৬ জুন বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ইংরেজি ও আরবি ভাষায় প্রত্যর্পণ প্রস্তাব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এর আগে গত ১২ জুন সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবির ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) বাংলাদেশকে জানায়, বেনজীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ৩০ দিনের মধ্যে কূটনৈতিক চ্যানেলে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ আবেদন পাঠাতে হবে।
এদিকে গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৭ জুলাই সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি আদালত বেনজীরের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। সব আইনি প্রক্রিয়া শেষে ৩০ জুলাই তিনি কারামুক্ত হন।
দুদক জানায়, বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে বর্তমানে ছয়টি মামলার তদন্ত চলছে। এর মধ্যে রয়েছে অবৈধ সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন, পাসপোর্ট জালিয়াতি ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ। তদন্তে তার ও পরিবারের নামে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।