আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বেড়েছে অপরিশোধিত তেলের দাম। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা এবং কূটনৈতিক সমাধান নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) এশিয়ার বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রায় ১ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৮৪ দশমিক ৮৯ ডলারে উঠেছে। এর আগে সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সম্ভাব্য হামলা স্থগিতের কথা জানানোর পর তেলের দাম প্রায় ৭ শতাংশ কমে গিয়েছিল।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দামও প্রায় ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৮১ দশমিক ১১ ডলারে পৌঁছেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, তেলের বাজারে অস্থিরতার বড় কারণ হয়ে উঠেছে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে উত্তেজনা। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জ্বালানি পরিবহন পথ দিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ করা হয়।
এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিতে নতুন হামলা থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন কোনো আলোচনা হচ্ছে না। ফলে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতার সম্ভাবনা নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে উত্তেজনার অবসান না হলে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। এর প্রভাবে আগামী দিনগুলোতে তেলের বাজারে বড় ধরনের ওঠানামা দেখা দেয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল এখনও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। মঙ্গলবার ওমানের আল খাসাব উপকূলের কাছে একটি পণ্যবাহী জাহাজ অজ্ঞাত বস্তুর আঘাতের শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে একটি সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।