জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে কড়া বক্তব্য এবং চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের মধ্য দিয়ে বিশ্বমঞ্চে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব দেখানোর চেষ্টা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এক সপ্তাহের কূটনৈতিক তৎপরতার পরও বড় সংকটগুলোতে দৃশ্যমান অগ্রগতি আনতে পারেননি তিনি।
ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে এবং এর প্রভাব পড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও। একই সঙ্গে চীনের সঙ্গে এআই ও বাণিজ্য প্রতিযোগিতা এবং মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেন ইস্যুতে মিত্রদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সমর্থন না পাওয়ায় চাপ বাড়ছে।
চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠকেও এআই, বাণিজ্য ও ইরান ইস্যুতে বড় কোনো সমঝোতা হয়নি। কেবল দুই দেশের বিদ্যমান বাণিজ্য সমঝোতার মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে। বিরল খনিজ সরবরাহে চীনের আধিপত্যও ট্রাম্পের শুল্কনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জাতিসংঘে ট্রাম্প ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিলেও ইউরোপ ও এশিয়ার কয়েকটি মিত্র দেশের সামরিক সহায়তায় অনীহা তাঁর নীতির সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট করেছে। ফ্রান্স ও ব্রাজিলসহ কয়েকটি দেশের নেতার বক্তব্যেও বলপ্রয়োগের রাজনীতির সমালোচনা উঠে এসেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, কানাডা, ইউরোপ, চীন, ইরান ও রাশিয়াসহ বিভিন্ন পক্ষ এখন ওয়াশিংটনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নিতে আগের তুলনায় বেশি প্রস্তুত। ফলে ‘আমেরিকা ইজ ব্যাক’ বার্তার পাশাপাশি ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতির কার্যকারিতা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।
আশিক/মি.
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।