চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। পরীক্ষায় অংশ নিয়েও অকৃতকার্য হয়েছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন। এর মধ্যে ইংরেজি ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়েই ফেল করেছেন ৩ লাখ ৮২ হাজার ২১ জন শিক্ষার্থী।
বিষয়ভিত্তিক ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ইংরেজিতে অকৃতকার্য হয়েছেন ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫২৮ জন। আর আইসিটিতে ফেল করেছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৯৩ জন। দুই বিষয়ে মিলিয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩ লাখ ৮২ হাজার ২১।
এবারের পাসের হার গত ২১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে ২০০৪ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৪৭ দশমিক ৭৪ শতাংশ। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশে।
বোর্ডভিত্তিক ফলে ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ। অন্যদিকে বরিশাল বোর্ডে পাসের হার সবচেয়ে কম, ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ০৭ শতাংশ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৪৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এদিকে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের এক থেকে দুই মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। শিক্ষার্থীরা যে বিষয়গুলোতে ফেল করেছেন, শুধু সেগুলোতেই আবার পরীক্ষা দিতে পারবেন বলে জানান তিনি।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।