।। দ্যা মিরর নিউজ ডেস্ক।।
আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে অভিবাসন ব্যবস্থায় নতুন পদ্ধতি গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে নৈতিক অভিবাসন নিশ্চিত করতে নিয়োগকর্তার মাধ্যমে অভিবাসন ব্যয় বহনের নীতি বা ‘এমপ্লয়ার পে মডেল’ অনুসরণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
সম্প্রতি RBA-এর দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সফলভাবে শেষ হয়েছে। প্রশিক্ষণের সমাপনী দিনে আয়োজিত কনসালটেন্সি সেশনে নৈতিক অভিবাসনের গুরুত্ব এবং এ প্রক্রিয়ায় RBA-এর বাধ্যতামূলক ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
আলোচনায় বলা হয় আন্তর্জাতিক অভিবাসন ব্যবস্থায় পরিবর্তন আসছে। ফলে প্রচলিত ও গতানুগতিক পদ্ধতির ওপর নির্ভর করে দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকা কঠিন হবে। অভিবাসন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি কর্মীদের ওপর থেকে নিয়োগসংক্রান্ত আর্থিক চাপ কমাতে হবে।
এ ক্ষেত্রে নিয়োগকর্তার ব্যয়ে কর্মী নিয়োগের নীতি বা ‘জিরো কস্ট মাইগ্রেশন’ বাস্তবায়নকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে তুলে ধরা হয়। তবে এই পদ্ধতিতে এগিয়ে যাওয়ার পথে নানা চ্যালেঞ্জ থাকলেও যথাযথ পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন সম্ভব বলে মত দেন আলোচকরা।
প্রশিক্ষণে আদিব এয়ার ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরস এর স্বত্ত্বাধিকারি কে. এম. মোবারক উল্লাহ শিমুল বলেন, গ্লোবাল মাইগ্রেশান পরিবর্তন আসছে, গতানুগতিক পদ্ধতিতে টিকে থাকা যাবে না তাই, ইথিক্যাল মাইগ্রেশান তথা জিরু কষ্ট যেটাকে ’এমপ্লয়ার পে মডেল’ বলা হয় সেই দিকেই এগিয়ে যেতে হবে যদিও এই পথ অনেক চ্যালেঞ্জিং তবে সম্ভব।
দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শেষে সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের হাতে কোর্স সম্পন্নের সনদ তুলে দেয় মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিদল। আয়োজকদের প্রত্যাশা এই প্রশিক্ষণ অংশগ্রহণকারীদের দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি নৈতিক ও দায়িত্বশীল অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখবে।
আশিক/মি
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।