অভিবাসন কমাতে বিদেশি শিক্ষার্থী ও ব্যাকপ্যাকারদের ভিসায় বড় ধরনের কড়াকড়ি আনছে অস্ট্রেলিয়া। নতুন নিয়মে অধিকাংশ বিদেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনার সময় স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানকে সঙ্গে নিতে পারবেন না। একই সঙ্গে ‘ওয়ার্কিং হলিডে’ ভিসার নিয়মও কঠোর করা হচ্ছে।
রয়টার্স জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক নতুন সংস্কারের কথা জানান। সরকারের আশা, এসব পদক্ষেপের ফলে ২০২৮ সালের মধ্যে দেশটিতে বার্ষিক নিট অভিবাসন প্রায় ২ লাখ ২৫ হাজারে নেমে আসবে। বর্তমানে এই সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ।
নতুন নিয়মে অধিকাংশ স্টুডেন্ট ভিসাধারীর পরিবারের সদস্যদের আলাদা ভিসায় অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার সুযোগ থাকবে না। তবে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের কয়েকটি দেশ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশের শিক্ষার্থীরা এ সুবিধা পাবেন।
এ ছাড়া ওয়ার্কিং হলিডে ভিসার মেয়াদ বাড়াতে চাওয়া ব্যাকপ্যাকারদের জন্য লটারির ব্যবস্থা চালু করা হবে। সব ধরনের ভিজিটর ভিসায় ‘আর থাকা যাবে না’ শর্তও যুক্ত করা হবে।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত এক বছরে আন্তর্জাতিক শিক্ষাখাত অস্ট্রেলিয়ার অর্থনীতিতে ৫৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন অস্ট্রেলীয় ডলার অবদান রেখেছে। তবে ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এক বছরে দেশটির নিট বিদেশি অভিবাসনের সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৬ হাজার, যার অর্ধেকের বেশি ছিলেন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী।
২০২৩ সালে অস্ট্রেলিয়ায় নিট বিদেশি অভিবাসন সর্বোচ্চ ৫ লাখ ১৮ হাজারে পৌঁছেছিল।
যুবায়ের/মি.
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।