ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠীর হামলায় সৌদি আরবে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে ফোনে কথা বলেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল-সৌদ। আলোচনায় আঞ্চলিক পরিস্থিতি ও সংকট সমাধানে রাজনৈতিক সংলাপের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।
সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আরব নিউজ। রোববার (১১ অক্টোবর) টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক বার্তায় আরাগচি বলেন, রাজনৈতিক সমাধান উপেক্ষা করে সামরিক পদক্ষেপে জোর দিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে। আঞ্চলিক সংকটের সামরিক সমাধান নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আরাগচি জানান, সৌদি আরব ও ইয়েমেনের মধ্যে সংলাপ শুরু এবং রাজনৈতিক সমাধানে পৌঁছাতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত ইরান। এর আগে গত সপ্তাহেও তিনি বলেছিলেন, চলমান সংঘাতের অবসানে ন্যায্যতা ও নিরপেক্ষতার ভিত্তিতে আলোচনা প্রয়োজন।
এদিকে, রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কয়েক দফা হামলায় ২০ জন নিহত ও তিন শতাধিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইয়েমেন সংঘাতে মার্কিন বাহিনীকে যুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করছেন তিনি।
দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর ২০২৩ সালে চীনের মধ্যস্থতায় চুক্তির মাধ্যমে ইরান ও সৌদি আরব কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে। এর আগে সাত বছর দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন ছিল।
গেলো ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর তেহরান ও রিয়াদের সম্পর্কে অবনতি ঘটে। এরপর ইরান ও তাদের মিত্ররা পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও অবকাঠামোতে হামলা চালায়, যার মধ্যে সৌদি আরবের তেলক্ষেত্রও রয়েছে। গত মার্চে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানকে প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলার কৌশল পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।