সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে প্রস্তাবিত যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির বিস্তারিত প্রকাশ্যে এসেছে। এতে এক দেশের ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা এবং সামরিক সহযোগিতা জোরদারের বিধান রাখা হয়েছে।
চুক্তিতে যৌথ প্রতিরক্ষা, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, সামরিক প্রশিক্ষণ, প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা এবং প্রয়োজনীয় সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মোট ১৬টি ধারায় সাজানো হয়েছে চুক্তিটি।
চুক্তি বাস্তবায়নে সৌদি আরবে একটি সচিবালয় প্রতিষ্ঠা এবং তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সামরিক প্রধানদের নিয়ে কৌশলগত কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে। অন্য দেশকেও সর্বসম্মতিক্রমে এতে যুক্ত করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
চুক্তিতে কোনো নির্দিষ্ট দেশকে সরাসরি হুমকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি। এর মেয়াদ অনির্দিষ্ট হলেও প্রথম ১০ বছর পার হওয়ার আগে কোনো সদস্য দেশ চুক্তি থেকে সরে যেতে পারবে না। এরপর প্রত্যাহার করতে হলে অন্তত তিন মাস আগে লিখিত নোটিশ দিতে হবে।
তুরস্কের পার্লামেন্টে অনুমোদনের জন্য চুক্তির পাঠ জমা দেয়া হয়েছে। ফলে দেশটির অনুমোদন প্রক্রিয়া এখনো গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে রয়েছে।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।