জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় দীর্ঘস্থায়ী লোডশেডিংয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। স্থানীয়দের অভিযোগ। দিনে-রাতে মিলিয়ে কয়েক ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎ মিলছে না। এতে কৃষি। ব্যবসা-বাণিজ্য এবং শিক্ষাসহ দৈনন্দিন জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

বাসিন্দারা জানান। ‘পৌর এলাকায় কিছুটা বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকলেও উপজেলার অধিকাংশ গ্রামাঞ্চলে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ থাকে না। ফলে প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। বিশেষ করে শিশু। বয়স্ক এবং অসুস্থ ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন।‘
কৃষকরা বলছেন। ‘বিদ্যুতের অভাবে সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় ফসল উৎপাদন নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে অটোরিকশাচালকসহ বিদ্যুৎনির্ভর পেশার মানুষরা নিয়মিত চার্জ দিতে না পারায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।‘
শিক্ষার্থীরাও ভোগান্তির বাইরে নয়। রাতে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটছে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে স্থানীয় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে উৎপাদন ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয়দের দাবি। দীর্ঘদিন ধরে চলা এ সংকটের কারণে উপজেলার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।
পল্লী বিদ্যুতের উপমহাব্যবস্থাপক মো. আবু সাঈদ জানান। ‘ইসলামপুরে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৬ মেগাওয়াট হলেও বর্তমানে জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৬ থেকে ৮ মেগাওয়াট। উৎপাদন ও সরবরাহ স্বাভাবিক হলে লোডশেডিং পরিস্থিতির উন্নতি হবে।‘
এ অবস্থায় দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন এলাকাবাসী।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।