শারদীয় দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে বগুড়ায় মণ্ডপে মণ্ডপে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। প্রতিমা তৈরি, মণ্ডপসজ্জা, প্যান্ডেল ও আলোকসজ্জার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগর ও আয়োজকরা। শনিবার (১০ অক্টোবর) মহালয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হবে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা।
বুধবার (৭ অক্টোবর) বগুড়া শহরের উত্তর চেলোপাড়ার নববৃন্দাবন হরিবাসরের বিশ্বকর্মা প্রতিমা তৈরির কারখানায় গিয়ে দেখা যায়, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত কারিগররা। মাটির কাঠামোয় দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, গণেশ, মহিষাসুর ও অসুরের অবয়ব ফুটিয়ে তুলছেন তারা।
কারখানাটির স্বত্বাধিকারী কাজল চন্দ্র প্রামাণিক বলেন, বগুড়া সদর ও আশপাশের উপজেলা ছাড়াও জামালপুর ও নওগাঁ থেকে এবার ২০টি প্রতিমা সেটের অর্ডার পেয়েছেন। প্রতিটি সেট ২৫ হাজার থেকে ৮৫ হাজার টাকা পর্যন্ত দামে তৈরি করা হচ্ছে। তবে গতবারের তুলনায় অর্ডার কমেছে। কাঁচামাল ও কারিগরদের মজুরি বাড়ায় উৎপাদন খরচও বেড়েছে বলে জানান তিনি।
পূজা উদযাপন কমিটির তথ্য অনুযায়ী, বগুড়ার ১৩টি উপজেলায় এবার ৭৩১টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা হবে। গেল বছর এ সংখ্যা ছিল ৬৮১টি। অর্থাৎ এবার মণ্ডপ বেড়েছে ৫০টি।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি শ্রী পরিমল চন্দ্র দাস বলেন, উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পূজার প্রস্তুতি চলছে। মণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা নেই। প্রতিটি মণ্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকেও নিরাপত্তাকর্মী রাখা হবে।
দুর্গাপূজা ঘিরে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নেয়া হয়েছে নিরাপত্তাব্যবস্থা। মণ্ডপগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল ও নজরদারি থাকবে।
পঞ্জিকা অনুযায়ী, ১০ অক্টোবর মহালয়ার পর ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে শেষ হবে দুর্গোৎসব। এ বছর দেবী দুর্গার আগমন হবে ঘোড়ায় এবং গমন করবেন নৌকায়।
সজল শেখ
বগুড়া জেলা প্রতিনিধি
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।