কাপ্তাই হ্রদের পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় বাঁধের ১৬টি জলকপাট ৩ ফুট করে খুলে দেয়া হয়েছে। এতে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫৮ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে নিষ্কাশিত হচ্ছে।
রোববার (৩০ আগস্ট) সকালে কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, জলকপাট দিয়ে ৫৮ হাজার কিউসেক পানির পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাঁচটি ইউনিটের মাধ্যমে আরও প্রায় ৩২ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশিত হচ্ছে। সব মিলিয়ে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯০ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে প্রবাহিত হচ্ছে।
কাপ্তাই হ্রদের পানি দ্রুত বাড়তে থাকায় বাঁধের ওপর চাপ কমানো এবং অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের জন্য ধাপে ধাপে জলকপাটের খোলার পরিমাণ বাড়ানো হয়। শনিবার রাতে প্রথমে ৬ ইঞ্চি করে গেট খোলা হয়। পরে তা এক ফুট, দুই ফুট এবং সর্বশেষ তিন ফুট করা হয়েছে।
কাপ্তাই হ্রদের সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল। পানি বৃদ্ধির কারণে রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতুও পানির নিচে তলিয়ে গেছে। একই সঙ্গে হ্রদের পানি বাড়ায় জেলার কিছু নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা ও প্লাবনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
এর আগে গত ১৮ জুলাই কাপ্তাই বাঁধের জলকপাট প্রথম দফায় খোলা হয়েছিল। পরে ২৩ জুলাই তা বন্ধ করে দেয়া হয়।
যুবায়ের/মি.
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।