বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ English
English
সর্বশেষ
দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ৪৫তম বিসিএসে নিয়োগ পেলেন ১ হাজার ৭০২ জনউত্তরায় বকেয়া বেতন ও মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের সড়ক অবরোধআইএমএফের কিছু পর্যবেক্ষণ আছে, তবে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে: অর্থমন্ত্রীমালয়ে‌শিয়ার কর্মী নিয়োগের ঘোষণা বাংলাদেশের, ৩৩৮ এজেন্সির তালিকা প্রকাশশেখ হাসিনার দুর্নীতি মামলায় দ্রুত অগ্রগতির আশা দুদকেরসাভারে মাদকবিরোধী অভিযানে খুচরা কারবারি গ্রেপ্তার, অধরা গডফাদাররাপরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীরসরকারি দরপত্র ও ক্রয় প্রক্রিয়া স্থগিতসারের ডিলার নিয়োগে দলীয়করণ ও দুর্নীতির অভিযোগ গোলাম পরওয়ারেরবাংলাদেশকে কঠোর মুদ্রানীতি, আর্থিক খাতের সংস্কার ও বিশ্বাসযোগ্য নীতি বাস্তবায়নের তাগিদ দিল আইএমএফপ্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আলবেনিয়ায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভআইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের সম্মেলনস্থলের কাছে বিক্ষোভ পুলিশের বাধাইসরায়েলের আকাশসীমায় ৩১ দেশের বিমানকর্মীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞাপাকিস্তানে স্কুলের ছাদ ধসে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ নিহত ২৮হরমুজে হামলার মধ্যেও কমল তেলের দামক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর সৌদিতে মার্কিন কর্মীদের ভ্রমণে বিধিনিষেধব্রাজিলিয়ান তরুণ পাপেকে নিতে বায়ার্নসহ ইউরোপের ক্লাবগুলোর কাড়াকাড়িআমির খানের ভাগ্নে ইমরান খানকে ভারত ছাড়ার নোটিশসাজেকে অনির্দিষ্টকালের অবরোধে বিপাকে ৩০ হাজার মানুষজয়পুরহাটে ৯২.৫৪ গ্রাম হেরোইনসহ গ্রেপ্তার ৫৫ বছরের ব্যক্তিশিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে তরুণ প্রজন্মকে শক্তিশালী করতে চায় সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রীসাজেকে ছয় দিনের জন্য সড়ক অবরোধ স্থগিতপ্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় ৩ জনের রিমান্ডদুর্নীতির মামলায় আবেদ আলীর ছেলে সিয়ামের কারাদণ্ড

ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামের নিরাপত্তা জোরদার, তবু যেভাবে হ্যাক হচ্ছে অ্যাকাউন্ট

ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামের নিরাপত্তা জোরদার, তবু যেভাবে হ্যাক হচ্ছে অ্যাকাউন্ট
ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামের নিরাপত্তা জোরদার, তবু যেভাবে হ্যাক হচ্ছে অ্যাকাউন্ট
সর্বশেষ উপলব্ধ: অক্টোবর ১৫, ২০২৬ ০২:১৮ অপরাহ্ন

ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের নিরাপত্তাব্যবস্থা দিন দিন উন্নত হচ্ছে। দ্বিস্তর যাচাইকরণ, লগইন সতর্কতা, পাসকি ও এআইভিত্তিক সুরক্ষা যুক্ত হলেও অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঝুঁকি পুরোপুরি দূর হয়নি। কখনো ব্যবহারকারীর অসতর্কতা, আবার কখনো অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারের ব্যবস্থার দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টা করছে সাইবার অপরাধীরা।

প্রতারণার পাশাপাশি প্রযুক্তিগত ত্রুটিও ঝুঁকি

ফিশিং লিংক, ভুয়া নিরাপত্তা সতর্কতা, নকল কাস্টমার সাপোর্ট এবং দুর্বল বা পুনর্ব্যবহৃত পাসওয়ার্ড এখনো অ্যাকাউন্ট হারানোর পরিচিত কারণ। প্রতারকরা অনেক সময় অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয় দেখিয়ে পাসওয়ার্ড বা যাচাইকরণ কোড হাতিয়ে নেয়। আবার পরিচিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পরিচয় ব্যবহার করেও ফাঁদে ফেলা হয় ব্যবহারকারীদের।

তবে ঝুঁকি শুধু ব্যবহারকারীর ভুলে সীমাবদ্ধ নয়। গেল জুনে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারে ব্যবহৃত মেটার এআই-সহায়তাপ্রাপ্ত সাপোর্ট ব্যবস্থার একটি ত্রুটি কাজে লাগিয়ে ২০ হাজারের বেশি অ্যাকাউন্ট দখলের ঘটনা ঘটেছিল। ত্রুটিটি ছিল, পাসওয়ার্ড পুনরুদ্ধারের অনুরোধে দেয়া ই-মেইল ঠিকানাটি সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টের সঙ্গে মেলে কি না, তা যথাযথভাবে যাচাই না করা। মেটা জানিয়েছিল, সমস্যাটি সমাধান করা হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত অ্যাকাউন্টগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজ চলছে।

নিরাপত্তায় নতুন উদ্যোগ, তবু সতর্কতা জরুরি

মেটা ২০২৬ সালের মার্চে জানায়, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে নতুন অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনা আগের বছরের তুলনায় বিশ্বজুড়ে ৩০ শতাংশের বেশি কমেছে। প্রতিষ্ঠানটি অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার সহজ করতে এআই-সহায়তা, উন্নত নিরাপত্তা যাচাই এবং পাসকি ব্যবহারের সুবিধা বাড়ানোর কথাও জানায়। পাসকির মাধ্যমে আঙুলের ছাপ, মুখ শনাক্তকরণ বা ডিভাইসের পিন ব্যবহার করে লগইন করা যায়।

অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখবেন যেভাবে 

বিশেষজ্ঞ নিরাপত্তা নির্দেশনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে আলাদা শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার, দ্বিস্তর যাচাইকরণ চালু রাখা এবং লগইন সতর্কতা সক্রিয় রাখার পরামর্শ দেয়া হয়। অপরিচিত লিংকে পাসওয়ার্ড বা যাচাইকরণ কোড দেয়া যাবে না। নিয়মিত লগইন করা ডিভাইস পরীক্ষা করতে হবে এবং সন্দেহজনক অ্যাপের সঙ্গে যুক্ত অ্যাকাউন্টের তথ্য সরিয়ে ফেলতে হবে। অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলে দ্রুত অফিসিয়াল পুনরুদ্ধার পদ্ধতি ব্যবহার করা জরুরি।

নিরাপত্তাব্যবস্থা শক্তিশালী হলেও ব্যবহারকারীর সতর্কতা এবং অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়ার নির্ভরযোগ্যতা—দুটিই গুরুত্বপূর্ণ। তাই শুধু শক্তিশালী পাসওয়ার্ড নয়, সন্দেহজনক বার্তা শনাক্ত করা এবং ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখাও জরুরি।

মতামত দিন

শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।