শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬ English
English
সর্বশেষ
স্কুলছাত্রী তাজমিনকে ধর্ষণ করে শ্বাসরোধে হত্যা, গ্রেপ্তার অটোরিকশাচালক‘কারও ওপর নির্ভরশীল নয়, মর্যাদার সঙ্গে অংশীদার হতে চায় বাংলাদেশ’প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ‘স্বৈরশাসক’ মোদি, যুবসমাজকে ভয় পান: অভিজিৎ দীপকেসংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু নয়, সবার পরিচয় হবে বাংলাদেশি: মাহদী আমিনপ্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতপ্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে স্থগিত নিয়োগ পরীক্ষা ১৬ অক্টোবরচার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান২০৩০ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যদিল্লিতে ধর্না থেকে মমতা ব্যানার্জিকে আটক করল পুলিশদিল্লিতে সিজেপি নেতাদের আটকের পর মিছিলের নেতৃত্বে যোগেন্দ্র যাদব, নেহা বোরাদিল্লিতে মিছিল থেকে আটক নেহা বোরা, দীপঙ্কর ভট্টাচার্যসহ চার নেতাবিক্ষোভ ঘিরে ধরপাকড়, পরিচয়পত্র দেখিয়েও আটক সাংবাদিকেরাদিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে দেড় হাজারের বেশি আটক, আহত ২ পুলিশপুলিশ হেফাজতে অভিজিৎ, সিজেপির নেতৃত্বে অজিঙ্কা শিন্ডেযন্তর মন্তরে বিক্ষোভ ঠেকাতে দিল্লিতে আটক ৫০০বিক্ষোভে যোগ দিতে যাওয়ার আগে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে আটকদিল্লি পৌঁছেই সিজেপির প্রতিষ্ঠাতাসহ তিন নেতা আটকপানামায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, ধসে পড়েছে ভবন-সড়কআম্বানিকে ‘প্রধানমন্ত্রী’ বলে কটাক্ষ করলেন ইলন মাস্কদিল্লিতে বিক্ষোভ ঠেকাতে ট্রেন বাতিল, বন্ধ ৫৭ মেট্রো স্টেশনরিভিউ নেননি শান্ত, পরে রিপ্লেতে ধরা পড়ল স্পাইকসমঝোতা না হলে আদালতে হাজির হতে হবে অমিতাভ বচ্চনকেএবার মুম্বাইয়ে আটক বলিউড অভিনেতা ইমরান খানবাংলাদেশি কৃষককে গুলি, কুষ্টিয়া সীমান্ত থেকে ভারতীয় নাগরিক আটক

ড্রোন হামলার জবাব, আফগানিস্তানে পাকিস্তানের ১০ স্থানে হামলা

ড্রোন হামলার জবাব, আফগানিস্তানে পাকিস্তানের ১০ স্থানে হামলা
সর্বশেষ উপলব্ধ: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬ ০২:৩১ অপরাহ্ন

আফগানিস্তান থেকে ড্রোন হামলার চেষ্টার জবাবে দেশটির ১০টি স্থানে বিমান ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদের অভিযোগ, এসব স্থানে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হামলায় ব্যবহৃত ড্রোন উৎক্ষেপণ ও সংরক্ষণ করা হতো।এর আগে আফগানিস্তান থেকে পাকিস্তানের আকাশসীমায় প্রবেশ করা আটটি ড্রোন ভূপাতিত করার কথা জানিয়েছিল পাকিস্তানের নিরাপত্তা সূত্র। দুই প্রতিবেশীর মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যেই নতুন করে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটল।

বৃহস্পতিবার ভোরে আফগানিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় পাকিস্তানের বিমান ও ড্রোন হামলার খবর সামনে আসে।

পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক বার্তায় বলেন, আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে আফগানিস্তানের ১০টি স্থানে নির্ভুল বিমান ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদের দাবি, হামলার লক্ষ্য ছিল এমন কিছু স্থাপনা, যেখান থেকে পাকিস্তানে হামলার জন্য ড্রোন উৎক্ষেপণ ও সংরক্ষণ করা হতো।

এর এক দিন আগে পাকিস্তানের নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছিল, আফগানিস্তান থেকে আটটি ড্রোন পাকিস্তানের আকাশসীমায় প্রবেশের চেষ্টা করে।

পাকিস্তানের দাবি, দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সবগুলো ড্রোন শনাক্ত করে এবং ভূপাতিত করে। এর মধ্যে চারটি তোরখাম সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় এবং চারটি কোহাটের কাছের পার্বত্য এলাকায় ধ্বংস করা হয়।তবে এসব দাবির স্বাধীন যাচাই তাৎক্ষণিকভাবে সম্ভব হয়নি।

আতাউল্লাহ তারারের ভাষ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানের পাল্টা হামলা ছিল পরিকল্পিত, নির্ভুল ও নিয়ন্ত্রিত। তার দাবি, হামলা শুধু সেই সামরিক স্থাপনাগুলোতেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে, যেগুলো পাকিস্তানে ড্রোন হামলার চেষ্টার সঙ্গে সরাসরি জড়িত।

তিনি আফগান ভূখণ্ড থেকে ড্রোন হামলার ঘটনাকে পাকিস্তানের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেন। পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছে, আফগানিস্তানের মাটিতে পাকিস্তানবিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ঘাঁটি ও সহযোগী নেটওয়ার্ক রয়েছে।

ইসলামাবাদের দাবি, এসব নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কার্যকর ও যাচাইযোগ্য ব্যবস্থা নেয়ার পরিবর্তে আফগান তালেবান সরকার পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করছে।

অন্যদিকে আফগানিস্তান পাকিস্তানের সীমান্তপারের সামরিক অভিযানকে সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন হিসেবে দেখে আসছে।

সাম্প্রতিক উত্তেজনার মাত্রা আরও বেড়েছে গেল ২১ সেপ্টেম্বরের পাকিস্তানি বিমান হামলার পর। সেদিন পাকিস্তান দাবি করেছিল, আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলে হামলায় ২৮ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে। তবে আফগান কর্তৃপক্ষ ও জাতিসংঘের পক্ষ থেকে তিন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার কথা জানানো হয়। এরপর নতুন করে ড্রোন নিয়ে মুখোমুখি হলো দুই দেশ।

পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী এবার সতর্ক করে বলেছেন, আফগান ভূখণ্ড থেকে কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠী কিংবা আফগান তালেবান সরকার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হামলা চালালে তা মেনে নেবে না ইসলামাবাদ। তার ভাষায়, পাকিস্তানের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের যেকোনো ঘটনায় তাৎক্ষণিক ও কঠোর জবাব দেয়া হবে। তবে একই সঙ্গে পাকিস্তান বলছে, তারা আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়াতে চায় না। সংলাপ ও গঠনমূলক সম্পর্কের প্রতি ইসলামাবাদ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানিয়েছেন তারার। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সীমান্তে সামরিক তৎপরতা বাড়ছে।

একদিকে পাকিস্তানের অভিযোগ—আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে পাকিস্তানে হামলার পরিকল্পনা হচ্ছে। অন্যদিকে কাবুল পাকিস্তানের সামরিক অভিযানের বিরোধিতা করে আসছে।

ফলে সীমান্তের এই উত্তেজনা এখন শুধু ড্রোন হামলা বা পাল্টা বিমান হামলায় সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি আরও বড় সংঘাতে রূপ নেবে—তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

ড্রোন হামলার পাল্টা জবাবে আফগানিস্তানের ১০টি স্থানে হামলার দাবি করেছে পাকিস্তান। তবে হামলার ক্ষয়ক্ষতি ও লক্ষ্যবস্তু নিয়ে দুই পক্ষের তথ্যের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। ফলে পরিস্থিতির পরবর্তী গতিপথ এখন নির্ভর করছে সীমান্তে সামরিক তৎপরতা কমে কি না এবং দুই দেশের মধ্যে সংলাপ শুরু হয় কি না।

আশিক/মি.

 

মতামত দিন

শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।