ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুতিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে ইসরায়েলকে যুক্ত করতে সৌদি আরবের সমর্থন চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় নেয়া এই উদ্যোগ নাকচ করে দিয়েছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহুর লক্ষ্য ছিল লোহিত সাগরে হুতিবিরোধী অভিযানে ইসরায়েলের অংশগ্রহণে সৌদির সমর্থন আদায় এবং দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ এগিয়ে নেয়া। তবে সৌদি আরবের জনমনে ক্ষোভ তৈরির আশঙ্কায় যুবরাজ এতে আপত্তি জানান।
আব্রাহাম চুক্তির আওতায় দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেয়া হলেও সৌদি আরবের শর্ত, আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার আগে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের পথে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হতে হবে।
এদিকে ইয়েমেনে সংঘাত তীব্র হওয়া এবং লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে হুমকি বাড়ার মধ্যে হুতিদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গেল সেপ্টেম্বরের শুরুতে হুতি বাহিনী মোখা বন্দরনগরী ও লোহিত সাগরের কয়েকটি দ্বীপ দখল করে। পরে সৌদি-সমর্থিত বাহিনী পাল্টা অভিযানে মোখা পুনর্দখল করে।
সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনাকে লক্ষ্য করেও হামলা চালিয়েছে হুতিরা। রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার পর নেতানিয়াহু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে হামলার নিন্দা জানান এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন। তবে প্রতিবেদনে হামলায় হতাহতের যে সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে, তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।