ইরানে নতুন করে সামরিক হামলার সম্ভাবনা নিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) হোয়াইট হাউসে এ বৈঠক হয় বলে ফক্স নিউজকে জানিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা।
কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, বুধবারও একই বিষয়ে বৈঠক হয়েছিল। আগামী ৯ নভেম্বর মধ্যপ্রাচ্যে অমাবস্যা থাকায় ওই রাতে সামরিক অভিযান চালানোর অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে হামলার বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
বৈঠকের পর ট্রাম্প বলেন, ইরানের পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দেশটির বাকি অংশ ধ্বংস করতে চান না জানিয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজনে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হতে পারে।
অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্পের সামনে তিনটি বিকল্প রয়েছে—নতুন করে হামলা, অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখা অথবা শর্তসাপেক্ষে সমঝোতা। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে বড় সামরিক অভিযান শুরুর সম্ভাবনায় প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কমান্ড।
আরব সাগরে বর্তমানে দুটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরি অবস্থান করছে। তৃতীয় রণতরি ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট সিঙ্গাপুরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সেখান থেকে মধ্যপ্রাচ্যে যেতে আরও অন্তত দুই সপ্তাহ লাগতে পারে।
এদিকে মধ্যবর্তী নির্বাচনে পরাজয়ের জন্য ইরান যুদ্ধকে দায়ী করেছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া, সমঝোতা এবং সামরিক অর্থায়ন নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে মতবিরোধও বাড়ছে।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।