মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বাংলাদেশের জন্য নতুন করে সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে। তবে কর্মী নিয়োগে কোটা ও ডিমান্ড লেটার অনুমোদনের পরও হাজারো কর্মীর বিদেশযাত্রা এখন অনিশ্চিত। কারণ মেডিকেল সেন্টারের তালিকা নিয়ে বাংলাদেশের বারবার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন এবং প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতা।
৫ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে এফডব্লিউসিএমএস (FWCMS) ৫১টি মেডিকেল সেন্টারের তালিকা প্রকাশ করেছে। অথচ এর আগে মালয়েশিয়া সরকারের অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টার বাদ দেয়া এবং নতুন কেন্দ্র অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বাংলাদেশ থেকে একাধিকবার অনুরোধ জানানো হয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসে আরও ২২টি মেডিকেল সেন্টার তালিকাভুক্তির অনুরোধের পর আবার পাঁচটি কেন্দ্র বাদ দেয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
প্রশ্ন হলো, একটি তালিকা নিয়ে এতবার সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের প্রয়োজন কেন? কোনো মেডিকেল সেন্টারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ থাকলে তদন্ত হোক। প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেয়া হোক। কিন্তু সেই বিতর্কের কারণে হাজারো কর্মীর নিয়োগপ্রক্রিয়া আটকে রাখা কতটা যুক্তিসংগত?
আরও উদ্বেগজনক হলো, মালয়েশিয়ার অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারের তালিকা পাওয়ার পর স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও নিয়োগানুমতি ও মেডিকেল পরীক্ষার কার্যক্রম এখনো প্রত্যাশিত গতিতে এগোচ্ছে না। অন্যদিকে অনুমোদিত কোটা ও ডিমান্ড লেটারের মেয়াদ নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হচ্ছে। এরই মধ্যে অনেকের ডিমান্ড লেটার বাতিল হবার পথে।
জিরো কস্টে ১০ হাজার কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসনীয়। বিদেশে কাজের জন্য শ্রমিকদের ঋণ ও অতিরিক্ত ব্যয়ের বোঝা থেকে মুক্ত রাখা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। কিন্তু এই উদ্যোগের সঙ্গে বিদ্যমান অনুমোদিত নিয়োগপ্রক্রিয়াকে আটকে রাখার কোনো সম্পর্ক থাকা উচিত নয়। দুটি কার্যক্রম সমান্তরালভাবে এগিয়ে নিলে সমস্য়া কোথায়? তা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়কে স্পষ্টা করতে হবে। সরকার প্রধানের উচিত তা বিবেচনা করা।
মেডিকেল সেন্টার বাদ দেয়া, নতুন কেন্দ্র অন্তর্ভুক্ত করা কিংবা জিরো কস্ট নিয়োগের শর্ত নিয়ে মালয়েশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের মতপার্থক্য থাকলে তা কূটনৈতিক আলোচনায় সমাধান করতে হবে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করা যেমন ঠিক নয়, তেমনি প্রশাসনিক সিদ্ধান্তহীনতার কারণে কর্মীদের ভবিষ্যৎ ঝুলিয়ে রাখাও গ্রহণযোগ্য নয়।
এখন প্রয়োজন দ্রুত ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। অনুমোদিত ৫১টি মেডিকেল সেন্টারের তালিকা অনুযায়ী স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু করতে হবে। কোটা ও ডিমান্ড লেটার অনুমোদিত কর্মী নিয়োগের অনুমতি, প্রয়োজনীয় দূতাবাস সত্যায়ন এবং বিএমইটির ছাড়পত্র দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে।
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার শুধু কর্মী পাঠানোর বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বৈদেশিক মুদ্রা আয়, বেকারত্ব হ্রাস এবং লাখো পরিবারের স্বপ্ন। সিদ্ধান্তের দোলাচলে এই সুযোগ নষ্ট হলে তার দায় এড়াতে পারবে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
শ্রমিকদের আর আশ্বাস নয়, প্রয়োজন কার্যকর সিদ্ধান্ত। কারণ, প্রতিটি বিলম্বের মূল্য দিতে হচ্ছে সেই মানুষগুলোকে, যারা একটি কর্মসংস্থানের আশায় দিনের পর দিন অপেক্ষা করছেন।
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বাংলাদেশের জন্য নতুন করে সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে। কর্মী নিয়োগে কোটা ও ডিমান্ড লেটার অনুমোদনের পরও হাজারো কর্মীর বিদেশযাত্রা অনিশ্চিত। কারণ মেডিকেল সেন্টারের তালিকা নিয়ে বাংলাদেশের বারবার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন এবং প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতা।
৫ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে এফডব্লিউসিএমএস (FWCMS) ৫১টি মেডিকেল সেন্টারের তালিকা প্রকাশ করেছে। অথচ এর আগে মালয়েশিয়া সরকারের অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টার বাদ দেয়া এবং নতুন কেন্দ্র অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বাংলাদেশ থেকে একাধিকবার অনুরোধ জানানো হয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসে আরও ২২টি মেডিকেল সেন্টার তালিকাভুক্তির অনুরোধের পর আবার পাঁচটি কেন্দ্র বাদ দেয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
প্রশ্ন হলো, একটি তালিকা নিয়ে এতবার সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের প্রয়োজন কেন? কোনো মেডিকেল সেন্টারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ থাকলে তদন্ত হোক। প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেয়া হোক। কিন্তু সেই বিতর্কের কারণে হাজারো কর্মীর নিয়োগপ্রক্রিয়া আটকে রাখা কতটা যুক্তিসংগত?
আরও উদ্বেগজনক হলো, মালয়েশিয়ার অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারের তালিকা পাওয়ার পর স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও নিয়োগানুমতি ও মেডিকেল পরীক্ষার কার্যক্রম এখনো প্রত্যাশিত গতিতে এগোচ্ছে না। অন্যদিকে অনুমোদিত কোটা ও ডিমান্ড লেটারের মেয়াদ নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হচ্ছে।
জিরো কস্টে ১০ হাজার কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসনীয়। বিদেশে কাজের জন্য শ্রমিকদের ঋণ ও অতিরিক্ত ব্যয়ের বোঝা থেকে মুক্ত রাখা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। কিন্তু এই উদ্যোগের সঙ্গে বিদ্যমান অনুমোদিত নিয়োগপ্রক্রিয়াকে আটকে রাখার কোনো সম্পর্ক থাকা উচিত নয়। দুটি কার্যক্রম সমান্তরালভাবে এগিয়ে নেয়া সম্ভব কি না, সরকারকে তা বিবেচনা করতে হবে।
মেডিকেল সেন্টার বাদ দেয়া, নতুন কেন্দ্র অন্তর্ভুক্ত করা কিংবা জিরো কস্ট নিয়োগের শর্ত নিয়ে মালয়েশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের মতপার্থক্য থাকলে তা কূটনৈতিক আলোচনায় সমাধান করতে হবে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করা যেমন ঠিক নয়, তেমনি প্রশাসনিক সিদ্ধান্তহীনতার কারণে কর্মীদের ভবিষ্যৎ ঝুলিয়ে রাখাও গ্রহণযোগ্য নয়।
এখন প্রয়োজন দ্রুত ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। অনুমোদিত ৫১টি মেডিকেল সেন্টারের তালিকা অনুযায়ী স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু করতে হবে। কোটা ও ডিমান্ড লেটার অনুমোদিত কর্মীদের নিয়োগানুমতি, প্রয়োজনীয় দূতাবাস সত্যায়ন এবং বিএমইটির ছাড়পত্র দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে।
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার শুধু কর্মী পাঠানোর বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বৈদেশিক মুদ্রা আয়, বেকারত্ব হ্রাস এবং লাখো পরিবারের স্বপ্ন। সিদ্ধান্তের দোলাচলে এই সুযোগ নষ্ট হলে তার দায় এড়াতে পারবে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
শ্রমিকদের আর আশ্বাস নয়, প্রয়োজন কার্যকর সিদ্ধান্ত। কারণ, প্রতিটি বিলম্বের মূল্য দিতে হচ্ছে সেই মানুষগুলোকে, যারা একটি কর্মসংস্থানের আশায় দিনের পর দিন অপেক্ষা করছেন।
মুহাম্মদ আশিকুল আলম
সম্পাদক, দ্যা মিরর নিউজ।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।