জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে অনিয়মিত আবহাওয়ায় দেশে লবণ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। ২০২৬ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় উৎপাদন ২৮ শতাংশ কমে যাওয়ায় এক বছরের ব্যবধানে কাঁচা লবণের পাইকারি দাম বেড়েছে ৫০ শতাংশ। ঘাটতি সামাল দিতে দেড় লাখ টন লবণ আমদানির সুপারিশ করেছে বিসিক।
বিসিকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতি মণ (৪০ কেজি) কাঁচা লবণ বিক্রি হচ্ছে ৩৮০ টাকায়, যা এক বছর আগে ছিল ২৫৩ টাকা। ২০২৬ অর্থবছরে ৬৭ হাজার ৭৫৭ একর জমিতে উৎপাদন হয়েছে ১৯ লাখ ৪৫ হাজার টন লবণ।
অতিবৃষ্টি, দীর্ঘ সময় মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়া ও অতিরিক্ত তাপমাত্রায় চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের লবণ মাঠে উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। বিশেষ করে ২৬ এপ্রিলের পর টানা ভারী বৃষ্টিতে মাঠ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
বিসিকের হিসাবে, দেশে বছরে ২২ থেকে ২৫ লাখ টন লবণের চাহিদা রয়েছে। বর্তমানে মজুত রয়েছে ৫ লাখ ২৬ হাজার টন। কর্মকর্তারা বলছেন, বিদ্যমান মজুত নভেম্বর পর্যন্ত চললেও ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে ঘাটতি দেখা দিতে পারে। এ কারণে দেড় লাখ টন লবণ আমদানির সুপারিশ করা হয়েছে।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।