নেপালে ভারী বৃষ্টি ও একাধিক ভূমিধসে গেল কয়েক দিনে অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১ হাজার ৯০০-র বেশি পরিবার এবং ধ্বংস হয়েছে ২৪০টিরও বেশি ঘরবাড়ি। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় আটকে পড়া পর্যটক ও পর্বতারোহীদের হেলিকপ্টারে করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে।
দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভূমিধসে পাহাড়ি সড়ক, সেতু ও বিভিন্ন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে অন্নপূর্ণা সার্কিটে ভ্রমণে যাওয়া শত শত পর্যটক ও পর্বতারোহী সফর সংক্ষিপ্ত করতে বাধ্য হয়েছেন। মানাং ও মুস্তাং জেলা থেকে অনেককে হেলিকপ্টারে উদ্ধার করা হয়েছে।
ভেঙে পড়া সড়ক ও সেতুর কারণে অনেক পর্যটককে দুর্গম পাহাড়ি পথ ধরে তিন থেকে চার দিন হেঁটে নিচে নামতে হয়েছে। কেউ কেউ একাধিক ভূমিধস এলাকা পার হয়ে নিরাপদ স্থানে পৌঁছেছেন।
মানাংয়ের চামে গ্রামে ভূমিধসে নদীর গতিপথ আংশিক বন্ধ হয়ে কৃত্রিম হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে। এতে কয়েকটি বাড়ি ও একটি প্রধান সেতু পানিতে তলিয়ে গেছে। জমে থাকা পানি সরাতে খননযন্ত্র দিয়ে কাজ করছে কর্তৃপক্ষ।
এদিকে তিব্বত সীমান্তের কাছে হিমলুং পিকের পাদদেশে তুষারধসের পর চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও ১২ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
স্থানীয় ট্র্যাকিং কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রায় ৭০০ পর্যটক ও পর্বতারোহী পোখরায় অবস্থান করছেন। অন্নপূর্ণা সার্কিট পুরোপুরি নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত তাদের ট্র্যাকিংয়ে যেতে দেয়া হচ্ছে না। সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় মুক্তিনাথ থেকে ভারতীয় দর্শনার্থীদের জোমসোম হয়ে বিমানযোগে পোখরায় ফেরার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।